Uttam Suchitra the golden pair of Bengali cinema.

Uttam Suchitra the golden pair of Bengali cinema. Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Uttam Suchitra the golden pair of Bengali cinema., Cinema, KOLKATA.

Uttam Kumar and Suchitra Sen the best romantic,evergreen couple on screen in the history of Bengali Cinema,symbol of love,romance,passion and dedication.Please come and join the page and the group Uttam Suchitra to show your love and respect.

18/07/2026

চেনেন নাকি এই সুন্দরী অভিনেত্রীকে?যদি 'দীপ জ্বেলে যাই','ইন্দ্রাণী','সোনার হরিণ','সাগরিকা' ইত্যাদি ছবিগুলি দেখে থাকেন তাহলে উত্তম-সুচিত্রার এই সহ অভিনেত্রীকে নিশ্চয়ই চেনেন।ইনি অভিনেত্রী নমিতা সিনহা।
কলকাতার অতীব সম্ভ্রান্ত বংশের কন‍্যা ছিলেন তিনি।তাঁর পিতা অ্যাডভোকেট শৈলন্দ্রনাথ মজুমদার ছিলেন অত‍্যন্ত উদারমনা,রুচিশীল এবং সংস্কৃতি মনস্ক।তাই অতি অল্প বয়স থেকেই সঙ্গীত-চর্চার সুযোগ হয়েছিল নমিতার।তিনি প্রথমে তারাপদ চক্রবর্তী ও পরে অনুপম ঘটকের কাছ হতে সঙ্গীতের তালিম নেন।বেতারে গান গাওয়া দিয়ে তাঁর শিল্পজীবন শুরু হয়।সিনেমাতেও আসেন বিয়ের পর এবং অবশ্যই তা সম্ভব হয়েছিল নমিতার সংস্কার মুক্ত স্বামীর উৎসাহতেই। পড়াশোনা করেছেন কলকাতার নামী কলেজ লেডি ব্রাব্রোনে ভূগোলে অনার্স নিয়ে।এঁর বিষয়ে আমি বিস্তারিত লিখেছি আমি আমার লেখা প্রথম একক বই 'রুপোলি পর্দার অন্তরালে 'তে।বিভা পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত বইটি পেয়েছিল অসংখ্য পাঠকদের ভালোবাসা। কলেজ স্ট্রিটের বিভামার্টে (বিভার নিজস্ব আউটলেট পুঁটিরামের পাশের গলি) পেয়ে যাবেন বইটি।

🖊️ মৌমিতা রায় চৌধুরী। ©

শুটিংয়ে বেরোনোর আগে মহানায়ক।
18/07/2026

শুটিংয়ে বেরোনোর আগে মহানায়ক।

17/07/2026

#কল্যাণী_বিশ্ববিদ্যালয়ের_নিবেদন

এই প্রথম কোনো বিশ্ববিদ্যালয় মহানায়ক উত্তমকুমারকে নিয়ে বই তৈরি করল।
প্রকাশিত হবে মহানায়কের মহাপ্রয়াণের দিনে। জার্নালিজম সার্টিফিকেট কোর্স, বাংলা বিভাগ, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবেদন। প্রথম খণ্ডের 'সবার উপরে উত্তম'।
এই প্রেস্টিজিয়াস, মূল্যবান কাজে আমিও অংশগ্রহণ করেছি। ♦️আমার লেখা একটি দীর্ঘ প্রতিবেদন থাকছে মহানায়ক উত্তমকুমারের ওপর এই বইতে এছাড়াও থাকছে আমার দেওয়া অনেক বিরল ছবিও।♦️ এছাড়াও অসংখ্য গুণীজন কলম ধরেছেন এই বইটিতে। বইটির ভূমিকা লিখেছেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়।
শীঘ্রই সূচীপত্র দেব আপনাদের।চোখ রাখুন আমার এই পেজে। শতবর্ষে মহানায়ক স্মরণে এই বিশেষ বই, অবশ্যই সংগ্রহ যোগ্য প্রতিজন উত্তম ভক্তদের কাছে।

 #বাসি_লুচি_আর_রসগোল্লার_রস -স্বপন মুখোপাধ্যায়- #তৃতীয়পর্বসেদিন রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিয়েবাড়ির চেহারাটা পালটে গেল। পর...
17/07/2026

#বাসি_লুচি_আর_রসগোল্লার_রস -

স্বপন মুখোপাধ্যায়-
#তৃতীয়পর্ব

সেদিন রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিয়েবাড়ির চেহারাটা পালটে গেল। পরিবেশনকারীদের পরিবেশনে পাঠানো যাচ্ছে না, নিমন্ত্রিতরা খেতে যাচ্ছেন না। সবাই তখন দাদাকে দেখতে ব্যস্ত। আমরা তখন প্রত্যেকেই চিন্তা করছি এভাবে চললে কোনও কাজই সুষ্ঠভাবে করা যাবে না। ঠিক সেই সময় আমার পিসিমা এসে দাদাকে বললেন, শোন উত্তম, তুই থাকলে আমি কাউকে খেতে বসাতে পারব না, তুই এবার বাড়ি যা।

উত্তমদা পিসিমার কথায় চেয়ার ছেড়ে উঠে পড়লেন এবং আমার স্ত্রী শুভ্রাকে বললেন, দেখ, তোমার শ্বশুরবাড়ির লোকেদের কাণ্ড, নিমন্ত্রণ করে আমায় ডেকে এনে তাড়িয়ে দিচ্ছেন। যাবার আগে পিসিমাকে বললেন, কাল দুপুরে আমি আসব, তুমি লুচি আর রস রেখে দিও। দাদা বাসি লুচি আর রসগোল্লার রস খেতে
ভীষণ ভালোবাসতেন। আমার পৈতের পরের দিনও দাদা দুপুরবেলায় আমাদের বাড়িতে বসে জমিয়ে বাসি লুচি আর রস খেয়েছিলেন।

দাদাও তাঁর জন্মদিন বা বিবাহবার্ষিকীতে আমাদের নিমন্ত্রণ করে খাওয়াতেন, প্রাণ খুলে গল্প করতেন। একবার বললেন, দেখ, খুব ইচ্ছা করে মেলায় ঘুরতে, ফুচকা খেতে। কিন্তু ভিড়ের জন্য যেতে পারি না, আবার ধর গেলাম কিন্তু আমাকে দেখে যদি লোকজন হইহই না করে তাহলে তো দুঃখের চোটে মরেই যাবো।

#ক্রমশ

পোস্ট সৌজন্য -সোমা হালদার।

আগের পর্বের লিঙ্ক -
https://www.facebook.com/share/p/1BZANUTuAT/

 #মহানায়কের_স্মৃতিচারণায়_ভ্রাতৃবধূ_সুব্রতা_চট্টোপাধ্যায়।মহানায়ক তাঁর কাজের জায়গায় কখনও শ্রেষ্ঠত্বের নীচে নামতে জানতেন না...
17/07/2026

#মহানায়কের_স্মৃতিচারণায়_ভ্রাতৃবধূ_সুব্রতা_চট্টোপাধ্যায়।

মহানায়ক তাঁর কাজের জায়গায় কখনও শ্রেষ্ঠত্বের নীচে নামতে জানতেন না। সংসারেও তাঁর ভূমিকা ছিল সেরা। অভিভাবকত্ব, বন্ধুত্ব,কর্তব্য পালন..প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা ছিল শ্রেষ্ঠতম।তাঁকে কেন্দ্র করে আমার ব্যক্তিগত ভাবনাচিন্তা বরাবরই কিছুটা গর্বমিশ্রিত।পারিবারিক জীবনে আমি শুধু তাঁর ভ্রাতৃবধূ হিসেবেই পরিচিত ছিলাম না,ঘরে বাইরে তাঁর খুব কাছের মানুষ হওয়ার মত সৌভাগ্যও আমার হয়েছিল।

তাঁর সঙ্গে আক্ষরিক অর্থে আমার পরিচয় ঘটে ১৬ বছর বয়সে। আমি তখন ওঁর ছোট ভাইয়ের প্রেমে মশগুল হলেও,অনেকখানি কৌতুহল আর মুগ্ধতা ঘিরে ছিল উত্তমকুমারকে
নিয়েই।বুড়োকে বলতাম "আমাকে একটু উত্তমকুমারদার সঙ্গে আলাপ করিয়ে দাওনা।"এরপরই হঠাৎ একদিন বুড়ো এসে বলল,"দাদা তোমাকে গ্র‍্যান্ডে ডেকেছে,আলাপ করবে। " একে জীবনে প্রথম গ্র‍্যান্ডে ঢোকার সৌভাগ্য...
তার উপর ডাক দিয়েছেন উত্তমকুমার স্বয়ং! একটা ষোল বছরের মেয়ের যে কি মানসিক অবস্থা হতে পারে তা সহজেই অনুমান করা যায়।

সকাল থেকেই বুকের ধুকপুকানি... হাত পা টলমল।সব থেকে পছন্দের শাড়িটা বের করে

নিজেকে সাজিয়ে গুছিয়ে নিয়ে অপেক্ষা করে রইলাম প্রার্থিত সময়ের জন্য।
অবশেষে পৌঁছলাম গ্র‍্যান্ডে।উনি আমায় হলের
একপ্রান্তে ডেকে নিয়ে গেলেন একান্তে। বললেন"বুড়োকে ভালোবাসো?বিয়ে করবে? আমার আপত্তি নেই.." উনি কিছু বলছেন ঠিকই, শুনছিও,কিন্তু মস্তিষ্কে পৌঁছচ্ছেনা।আমি তখন মুগ্ধ চোখে শুধু চেয়ে দেখছি এক বিপুল জনপ্রিয় নায়ককে...উনি তখনও বলে চলেছেন"বিয়ের পর ছবিতে কাজ করবে,যদি তোমার ভালো লাগে, তোমার যদি প্রতিভা থাকে,নিশ্চয়ই কোরো। আমার আপত্তি নেই।"আমি তখনও নির্বাক, হিপনোটাইজড! মনে হচ্ছে এইমানুষটার
সান্নিধ্য পাওয়ার চেয়ে আমার প্রতিভা খুব দামি কি?
চেতনা ফিরল ওনার মৃদু ধমকে,"তুমি কি আমার। কথা শুনছ? উত্তর দিচ্ছনা কেন?"যদিও এই ঘটনার আগেই আমরা লুকিয়ে রেজিস্ট্রি করেছিলাম। তবুও দাদা আবার দারুণ ঘটা করে আমাদের বিয়ে দিলেন। খুব সুন্দর একটা বেনারসি আর জমকালো নবরত্নের সেট দিয়ে আশীর্বাদ করেছিলেন আমায়। আস্তে আস্তে ওঁর অনেক কাছের মানুষ হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু ওঁর নায়কোচিত মোহজাল থেকে কখনও নিজেকে মুক্ত করতে পারিনি।ওঁর কথাবলা,চাউনি,হাসি, হাঁটাচলা..সবকিছুর মধ্যেই পরদার উত্তমকুমারের ছায়া দেখতে পেতাম।

দাদা যখন গরদের জোড় পরে লক্ষ্মীপূজার আসনে বসে হাতজোড় করে মন্ত্র উচ্চারণ করতেন তখন ঠিক যেন 'স্ত্রী' ছবির মাধব দত্ত।আমার দাদা আর মহানায়ক কোথায় যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে যেত। এই মোহজাল, এই বিভ্রম দাদার খুব কাছের মানুষদের সঙ্গেও কোথায় যেন একটা অদৃশ্য দূরত্ব তৈরী করে দিত।খুব সূক্ষ্ম একটা বিভাজন,যা বুঝিয়ে বলা যায়না,শুধু অনুভব করা যায়। এই অনুভূতি দাদার মধ্যেও একটা সূক্ষ্ম অভিমান তৈরি করে দিয়েছিল।

এরপর..এল সেই ভয়ংকর দিন।দাদা বেলভিউয়ে।দিদিভাই বাড়ি ফিরে এলেন...গা ভর্তি গয়না, মাথা ভর্তি সিঁদুর। বলেন' আমি ঘুমোব।" আমি টিভি চালিয়ে চুপচাপ বসে।দেখছিনা কিছুই।হঠাৎ পর্দায় ভেসে উঠল ছবির গানের দৃশ্য, 'বিষ্ণুপ্রিয়া গো,তুমি থাক ঘুমঘোরে আমি চলে যাই।' বুকের মধ্যে কেমন করে উঠল।এরপর পরই বেজে উঠল ফোনটা!বুড়োর ফোন'দাদা আর নেই।'প্রচন্ড জোরে চেঁচিয়ে উঠেছিলাম আমি। দিদিভাইকে জাগিয়ে গেলাম নার্সিংহোমে।ততক্ষণে খবর ছড়িয়ে পড়েছে।এরপর দাদাকে নিয়ে বাড়ি ফিরে এলাম আমরা।সারারাত দিদিভাই বসে রইলেন দাদার মাথার কাছে।আমি সারারাত আমার শখের বেডকভার বদলে বদলে বিছিয়ে দিলাম দাদার গায়ে।
সবাইকে লুকিয়ে রাত দুটোর সময় টেলিফোনে ডেকেছিলাম রমাদিকে।অনুনয় করেছিলাম "তোমাকে আজ আসতেই হবে।আর জীবনে কখনও আসতে বলবনা তোমাকে।আমার মেয়ের বিয়েতেও না। কিন্তু আজ তুমি একবার এস....শুধু একবার।তোমাকে আসতেই হবে।"

রমাদি এলেন...রাত সাড়ে তিনটে।হাতে সুগন্ধি মালা পায়ে দিতে যাচ্ছিলেন।দিদিভাই বললেন ,"পায়ে নয়,ওঁর গলায় পরিয়ে দাও,"উনি দাদার গলায় পরিয়ে দিতে দিতে খুব নীচু স্বরে বললেন"আমি হেরে গেলাম উত্তম।"আমার সেই চরম দু:খের মুহূর্তে মনে হল কোথাও যেন ক্যামেরা চলছে..একটি ছবির দৃশ্যগ্রহণ হচ্ছে।উত্তম সুচিত্রা জুটির শেষ ছবির।এইমাত্র উচ্চারিত হয়ে গেল সেই শেষ ছবির শেষ সংলাপ।

(কৃতজ্ঞতা স্বীকার- আনন্দলোক,২০ জুলাই ১৯৯১)

16/07/2026

#মহানায়কের_স্ত্রী_গৌরীদেবী

যৌবনে তিনি ছিলেন ডাকসাইটে সুন্দরী। ভালো গান জানতেন, দারুণ রান্নাও করতেন।দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরে, পদ্মপুকুরের বর্ধিষ্ণু গাঙ্গুলি বাড়ির মেয়ে ছিলেন উত্তম জায়া গৌরীদেবী। গানের সূত্র ধরেই কিন্তু প্রেম হয়েছিল উত্তম-গৌরীর।চক্রবেড়িয়া স্কুলের সংগীত শিক্ষক হিসেবে বেশ কিছুদিন কাজ করেছেন উত্তম কুমার। উত্তমকুমারের বোন অন্নপূর্ণার বন্ধু ছিলেন গৌরীদেবী,একসাথেই তাঁরা গান শিখতে যেতেন। গৌরীদেবী আসতেন তাঁদের বাড়িতেও। এমনই একদিন উত্তমদের বাড়ি আসেন গৌরী। গৌরীর গলা শুনেই উত্তম হারমোনিয়াম টেনে গলা সাধতে বসে যান। যাতে গৌরী তাঁর গান শুনতে তাঁর ঘরে আসেন। গৌরী সেদিন উত্তমের ঘরে যাননি। তবে বোন অন্নপূর্ণা এসে দাদাকে খবর দিলেন "গৌরী বলেছে তোর দাদার গানের গলাটা বেশ সুন্দর তো!" জীবনের সেরা প্রশংসা সেদিন পেয়েছিলেন উত্তমকুমার ওরফে অরুণ। তারপর তো উত্তম-গৌরীর প্রেম এবং অবশেষে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন তাঁরা।
১লা জুন ওঁদের বিয়ের তারিখ। প্রতিবারই উত্তমকুমার সাড়ম্বরে পালন করতেন এই দিনটি।উপহার হিসাবে স্ত্রীকে দিতেন, সোনার গহনা-নেকলেস, কানবালা ইত্যাদি এবং বেনারসি শাড়ি। গৌরী দেবীর কথায়,"সব সময় উনি আমায় আগলে রাখতেন, পাছে আমার কোন কষ্ট হয়। রাগ করে থাকা যেত না কিছুতেই।"গৌরির হাতের রান্না খেতে খুব ভালোবাসতেন উত্তম। সবথেকে প্রিয় ছিল কাঁচালঙ্কা দিয়ে খন্ড খন্ড চিকেন। আর ভালোবাসতেন ট্যাংরা মাছ, চিংড়ি মাছ, ইলিশ মাছ, ভেটকি মাছের কাঁটা দিয়ে ঝাল এইসব। খেতে বসতেন কার্পেটে। উঁচু চৌকির উপর থাকত ভাতের থালা। খেতে সময় লাগত মিনিট পাঁচেক মাত্র। এরপরই সোজা বিছানায়।উত্তমকে গৌরী ডাকতেন,"বণিক" বলে।আর গৌরীকে উত্তম ডাকতেন "গজু"।

মহানায়কের ছবির সবচেয়ে বড় সমালোচক ছিলেন গৌরীদেবী।কোন ছবি হিট হবে বা ততোটাও চলবে না ছবি দেখলেই বলে দিতে পারতেন তিনি। মহানায়ক উত্তমকুমার হয়ে ওঠার নেপথ্যেও ছিল স্ত্রী হিসেবে তাঁর অনেক আত্মত্যাগ। উত্তমকুমার তাঁর মতামতকে সবথেকে বেশি গুরুত্ব দিতেন ।"নিশিপদ্ম" ছবিটি দেখে অনেকেই যখন বলছিল ভালো চলবে না,তখন গৌরীদেবীকে দেখালেন ছবিটি উত্তম।তিনি দেখে বললেন,"সুপারহিট হবে এছবি"।হয়েছিলও তাই।"বনপলাশীর পদাবলী" সিনেমাটির ক্ষেত্রেও এমনটাই হয়েছিল।গৌরীদেবীর কথামতো কয়েকটা দৃশ্য বাদ দিতেই ছবি সুপার হিট হয়।

উত্তম পত্নী গৌরীদেবীর বেনারসি প্রীতি ছিল প্রবল।মহানায়কও তাঁর আদরের গজুকে উপহার দিতেন সুন্দর সুন্দর বেনারসি শাড়ি,কখনও জন্মদিনে, কখনও বা বিবাহবার্ষিকীতে।গৌরীদেবী এতোই বেনারসি পরতে ভালোবাসতেন যে সিনেমা দেখতেও যেতেন বেনারসি শাড়ি পরে অনেক সময়েই।তিনশ বেনারসি ছিল তাঁর।প্রতিটিই ছিল অপূর্ব সুন্দর দেখতে।উত্তমকুমারের বেনারসি অথবা অন্য শাড়ি কেনার স্টাইল ছিল একদম 'আলাদা'! গিরিশ মুখার্জী রোডের বাড়িতে, পুজোর আগে আদি ঢাকেশ্বরী বস্ত্রালয় থেকে বেনারসি ও অন্যান্য শাড়ির গাদা নিয়ে আসতো দোকানের উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা। উনি বা গৌরীদেবী যে কটা বেছে রাখতেন, পরে সেগুলোর বিল পাঠিয়ে দেয়া হতো। ওঁদের বাড়ির কেউ দোকানে গিয়ে শাড়ি কিনতেন না।

মহানায়কের হঠাৎ চলে যাওয়ার শোক এতই তীব্র হয়ে বুকে বেজেছিল গৌরীদেবীর, অনেক বেনারসিই উনি জানলা দিয়ে ছুঁড়ে ছুঁড়ে নাকি ফেলে দিয়েছিলেন।আর বেশকিছু দান করেও দেন।বাদবাকি যা ছিল সেগুলো বর্তমান প্রজন্ম যতটা সম্ভব যত্ন করেই রেখে দিয়েছেন।

উত্তম-গৌরীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু প্রোডিউসার রত্না ব্যানার্জির একটি সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায়-
মহানায়কের মহাপ্রয়াণের পর কেওড়াতলা মহাশ্মশানের বার্নিং-ঘাটে দাঁড়িয়ে গৌরীদেবী বলেছিলেন রত্নাদেবীকে ...''দেখে নিও, এক বছর কাটবে না- --- আমাকে ডেকে নেবে ও । আমাকে ছেড়ে ও থাকতেই পারবে না বেশিদিন।" গৌরীদেবীর কথা অক্ষরে অক্ষরে মিলে গিয়েছিল । ওঁর এতবড় অহংকার সত্যি হয়ে গিয়েছিল । বছর না ঘুরতেই চলে গিয়েছিলেন গৌরীদেবী । "

🖊️মৌমিতা রায় চৌধুরী।

চিত্র ঋণ-মহানায়ক উত্তমকুমারের পুত্রবধূ -মহুয়া চট্টোপাধ্যায়।

♦️কপি পেস্ট নিষিদ্ধ। শুধুমাত্র এই পেজ থেকেই শেয়ার করা যাবে।

নিউ আলিপুরের বাড়িতে কর্তা গিন্নী।পরস্পর পরস্পরকে কী নামে ডাকতেন উত্তমকুমার ও গৌরীদেবী?চিত্র সৌজন্য - মৌমিতা রায় চৌধুরী।
16/07/2026

নিউ আলিপুরের বাড়িতে কর্তা গিন্নী।
পরস্পর পরস্পরকে কী নামে ডাকতেন উত্তমকুমার ও গৌরীদেবী?

চিত্র সৌজন্য - মৌমিতা রায় চৌধুরী।

 #দুষ্প্রাপ্য_উত্তমপ্রযোজক হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করছেন মহানায়ক উত্তমকুমার, 'হারানো সুর' ছবির জন্য।পুরস্কারটি দেওয়া হয়েছি...
14/07/2026

#দুষ্প্রাপ্য_উত্তম

প্রযোজক হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করছেন মহানায়ক উত্তমকুমার, 'হারানো সুর' ছবির জন্য।
পুরস্কারটি দেওয়া হয়েছিল ইস্টার্ন ইণ্ডিয়া মোশন পিকচার্স অ্যাসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে।এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য-'হারানোসুর' ছবিটি রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত হয়েছিল আগেই।"সার্টিফিকেট অব মেরিট" সম্মান পায়।

© মৌমিতা রায় চৌধুরী।

13/07/2026

ছোটবেলার অভিন্ন হৃদয় বন্ধু লালুর সাথে মহানায়ক উত্তমকুমার। ডাক্তার লালমোহন মুখোপাধ্যায় ওরফে লালু মহানায়কের চিকিৎসাও করতেন।এঁর কন্যাই মহুয়া চট্টোপাধ্যায় পরবর্তী সময়ে মহানায়ক উত্তমকুমারের একমাত্র পুত্র গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় পত্নী।গৌতম-মহুয়ার কন্যা মৌমিতা চট্টোপাধ্যায়।

মহানায়কের প্রাণের বন্ধু ছিলেন এই লালু ডাক্তার। ভবানীপুরে এক পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন এঁরা। খুব ভরসাও করতেন বন্ধুকে মহানায়ক।এই লালু ডাক্তারের বিয়ের একটি ঘটনা বলছি পাঠকদের ।
প্রাণের বাল্যবন্ধু ডাক্তার লালমোহন মুখোপাধ্যায়ের বিয়েতে মহানায়ক উত্তমকুমার গেছেন বরযাত্রী হয়ে। তাঁকে দেখে তো বিয়ে প্রায় বন্ধ হয়ে যাবার জোগাড়, তখন লালমোহনের শ্বশুর মশাই প্রত্যেককে হাত জোড় করে বললেন - " এখন আপনারা উত্তমকুমার কে ছেড়ে দিন ,বাসর যখন হবে তখন আপনারা খুব কাছ থেকে ওঁকে দেখতে পাবেন ,গান শুনবেন "কিন্তু কে কার কথা শোনে!একগাদা লোক প্রায় হুড়োহুড়ি লাগিয়ে দিলেন বিয়েবাড়িতে নায়ক উত্তমকুমারকে দেখতে।বাধ্য হয়ে উত্তমকুমার তখনই গাড়ি বের করে বর্ধমানের এক আত্মীয়র বাড়ি পালিয়ে বাঁচলেন !

🖊️ মৌমিতা রায় চৌধুরী।

চিত্র ঋণ-পুরশ্রী শ্রীউত্তমকুমার সংখ্যা।

 #বাসি_লুচি_আর_রসগোল্লার_রস -স্বপন মুখোপাধ্যায়- #দ্বিতীয়পর্বউত্তমদাও আমাদের নিজের ভাইয়ের মতো স্নেহ করতেন। একদিন হঠাৎ ই...
13/07/2026

#বাসি_লুচি_আর_রসগোল্লার_রস -

স্বপন মুখোপাধ্যায়-
#দ্বিতীয়পর্ব

উত্তমদাও আমাদের নিজের ভাইয়ের মতো স্নেহ করতেন। একদিন হঠাৎ ই সকালবেলায় ভবানীপুরের বাড়ি ঘুরে আমাদের বাড়িতে এলেন এবং বাবাকে প্রণাম করে বললেন-অবাক পৃথিবী নামে একটা ছবি হচ্ছে, আমার ইচ্ছা স্বপন আর ওর ছোট ভাই ওই ছবিতে আমার সঙ্গে অভিনয় করুক। সেদিন বাবা সরাসরি উত্তমদাকে না বলে দিলেন। ফলে আমরাও আর অভিনেতা হতে পারলাম না।

কাজের চাপ কম থাকলেই উত্তমদা আমাদের বাড়িতে চলে আসতেন। অনেক রাত অব্দি আমাদের বাড়িতে গান, বাজনা, আড্ডা চলত। তারপর অনেক রাতে উনি বাড়ি ফিরে যেতেন।

আমার যখন বিয়ে হয় সেইসময় উত্তমদা নিঃশ্বাস ফেলার মতো অবস্থা ছিল না, ভয়ংকর কাজের চাপ। উত্তমদা কিন্তু সেসব উপেক্ষা করেই আমার বউভাতের দিনে এসেছিলেন। তখন রাত সাড়ে আটটা, সবে প্রথম ব্যাচ শুরু হয়েছে। আমাদের বাড়ির ডানদিকে যে স্কুলটি রয়েছে সেখানেই খাবার ব্যবস্থা হয়েছিল। আর ঠিক সেই সময় 'গুরু', 'গুরু' রব উঠল। বুঝলাম দাদা এসে গেছেন।

দাদা আমাদের এই গলি পার হয়ে বাড়িতে ঢুকলেন এবং সব থেকে মজার ব্যাপার হল ওই স্কুলে যাঁরা খেতে বসেছিলেন এবং যাঁরা পরিবেশন করছিলেন সবাই যে যাঁর কাজ ফেলে দাদার পিছন পিছন বাড়িতে এসে ঢুকলেন। দাদা ঘরে এসে নতুন বউ মানে আমার স্ত্রীর সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন। এরপর বিয়েবাড়ির সমস্ত মানুষ একে একে ওখানে হাজির হলেন।

আমার এক মামাশ্বশুর দাদাকে খুব কাছ থেকে দেখবেন বলে সবাইকে ঠেলে সরিয়ে উত্তমদার পায়ের কাছে বসে পড়লেন। আমার এক বাল্যবন্ধুকে ছবি তোলার দায়িত্ব দিয়েছিলাম, দাদা চলে যাবার পর তাঁর খেয়াল হল দাদার কোনও ছবিই তোলা হয়নি। ফলে আমার বিয়েতে যে উনি এসেছিলেন তাঁর কোনও প্রমাণ আর রইল না।

#ক্রমশ
আগের পর্বের লিঙ্ক -
https://www.facebook.com/share/p/1EEtrsQYoA/

পোস্ট সৌজন্য -সোমা হালদার।

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Uttam Suchitra the golden pair of Bengali cinema. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category