29/07/2026
❤️আয়াতুল কুরসি পড়লে শয়তান পালায় কেন?
আপনার সাথে কি এমন হয়?
* রাতে অকারণে ভয় লাগে?
* দুঃস্বপ্ন বা ঘুমের সমস্যা হয়?
* ঘরে অশান্তি বা অস্বস্তি অনুভব করেন?
* জ্বীন বা শয়তানের কুমন্ত্রণা বেশি অনুভব করেন?
আয়াতুল কুরসি কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ আয়াতগুলোর একটি। এতে আল্লাহ তাআলার মহত্ত্ব, ক্ষমতা, সার্বভৌমত্ব ও হিফাজতের ঘোষণা রয়েছে। তাই শয়তান এই আয়াতকে ভয় করে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি রাতে আয়াতুল কুরসি পড়বে, আল্লাহর পক্ষ থেকে তার জন্য একজন রক্ষাকারী নিযুক্ত থাকবে এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তার নিকট আসতে পারবে না।”
— সহীহ আল-বুখারী (২৩১১)
আয়াতুল কুরসি কীভাবে শয়তান থেকে হিফাজত করে?
✅ রাতে ঘুমানোর আগে পড়লে সকাল পর্যন্ত আল্লাহর হিফাজত থাকে।
✅ ফরজ সালাতের পর নিয়মিত পড়লে আল্লাহর নিরাপত্তা ও বরকত লাভ হয়।
✅ রুকইয়াহর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আয়াত হিসেবে এটি জ্বীন, শয়তান ও যাদুর বিরুদ্ধে নিয়মিত পড়া হয়।
✅ ঘরে নিয়মিত তিলাওয়াত করলে আল্লাহর রহমত ও প্রশান্তি বৃদ্ধি পায়।
আমলের সহজ নিয়ম
📖 প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যার যিকিরের সঙ্গে আয়াতুল কুরসি পড়ুন।
🛏️ ঘুমানোর আগে অবশ্যই একবার পড়ুন।
🏠 ঘরে নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াতের অভ্যাস গড়ে তুলুন।
গুরুত্বপূর্ণ কথা
আয়াতুল কুরসি কোনো “তাবিজ” নয়; এটি আল্লাহর কালাম। এর মাধ্যমে উপকার ও হিফাজত একমাত্র আল্লাহর ইচ্ছাতেই আসে। তাই কুরআনের ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রেখে নিয়মিত আমল করুন এবং গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করুন।
এবং আল্লাহ আমাদের সবাইকে শয়তান ও জ্বীনের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন এবং ইবাদাতে খুশু-খুযু দান করুন।
⭕আমাদের অভিজ্ঞ রাক্বীদের তত্বাবধানে পরামর্শ ও রুকইয়াহ করতে সিরিয়াল নিন,
📞 01712-171834 What's app
বি: দ্র: আমরা অনলাইন অফলাইন এবং হুম সার্ভিসে রুকইয়াহ সেবা দিয়ে থাকি ইনশাআল্লাহ।
পোস্টটি শেয়ার করুন, অন্যদেরও আমলটি জানার সুযোগ করে দিন।