Javed Aziz

Javed Aziz Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Javed Aziz, Cinema, Feni.

শিক্ষায় ১৩৭ টা দেশের মধ্যে ১২৪ তমফুটবলে ২০৪ টা দেশের মধ্যে ১৯২ তমবিশ্বের অবাসযোগ্য শহরের মধ্যে ঢাকা ২য়দুর্নীতিতে ২০৪ ট...
14/04/2024

শিক্ষায় ১৩৭ টা দেশের মধ্যে ১২৪ তম
ফুটবলে ২০৪ টা দেশের মধ্যে ১৯২ তম
বিশ্বের অবাসযোগ্য শহরের মধ্যে ঢাকা ২য়
দুর্নীতিতে ২০৪ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৭ম
স্বাস্থ্যসেবায় ১৬৭ টা দেশের মধ্যে ১০৬ তম
সুখী দেশের তালিকায় ১৩৭ দেশের মধ্যে ১১৮ তম

আর বোকাচন্দ্ররা এসেছে আল্পনা এঁকে রেকর্ড গড়তে!
দেশ গোল্লায় যাক, তোরা চেতনা আর সংস্কৃতি চর্চা কর!

আমরা রেকর্ড চাইনা, দেশের উন্নতি চাই। আমি চাই আমার দেশ জিরো দুর্নীতিতে রেকর্ড করুক, অর্থনীতিতে ১ নম্বর হোক, সামরিক ক্ষেত্রে ১ নম্বর হোক! রেকর্ড পরিমাণ পেপারস পাবলিশ হোক আমার দেশ থেকে, রেকর্ড পরিমাণ পেটেণ্ট থাকুক আমাদের! আমি এমন একটা দেশের স্বপ্ন দেখি।

আর আগামী ২০০-৫০০ বছর পরে আমাদের উত্তরসূরীরা যাতে বলতে পারে “Excellence is our culture” এমন এক সমৃদ্ধ কালচার চাই!

hasan Walid এর প্রোফাইল থেকে

28/03/2024

খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো বর্গী এলো দেশে
বুলবুলিতে ধান খেয়েছে, খাজনা দেবো কীসে?
ধান ফুরলো, পান ফুরলো, খাজনার উপায় কী!
আর ক’টা দিন সবুর করো, রসুন বুনেছি।

শৈশবে এই ছড়া শোনেননি এমন বাঙালী খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আপাতদৃষ্টে খুব সহজবোধ্য একটা ছড়া মনে হলেও এর ভেতরে যে একটা গভীরতম চেতনার বোধ লুকিয়ে আছে - সেটা কি কেউ আমরা খেয়াল করে ভেবে দেখেছি?

১. বর্গীরা তখনই দেশে আসার সাহস করে, যখন খোকা’রা ঘুমিয়ে যায়। খোকাদের জেগে থাকার কালে কার সাধ্য খাজনা তুলতে আসে?

২. ধান বলতে মৌলিক চাহিদা, পান বলতে নেশা অর্থাৎ বিলাসিতা। বিদেশি বর্গীর আগ্রাসনে বিলাস থেকে নৈমিত্তিক চাহিদা - সবখানেই যখন টান পড়ে, তখন সত্যিই চিন্তায় পড়ে যেতে হয়। আর সেই দুশ্চিন্তা থেকে, দুঃসময় থেকে উত্তরণের পথও আমরা দেখতে পাই ছড়ার শেষ লাইনে - “আর ক’টা দিন সবুর করো, রসুন বুনেছি”। এখন প্রশ্ন, ধান-পান সব যাবার পর কেউ রসুন কেন বুনতে যাবে? যেখানে ধানই নেই, অর্থাৎ ভাতের চালে টান, সেখানে মাছ-মাংস রান্নার জন্য রসুন বুনে লাভ কী?

৩. আর এখানেই এই ছড়ার সার্থকতা। চেতনার উন্মেষ। কেননা, এখানে রসুন বোনা বলতে কোনো আনাজ বা মশলার চাষ নয়, বরং অন্য কিছুর ইঙ্গিত লক্ষণীয়।

একতা বলতে আমরা রসুনের উদাহরণ দিয়ে থাকি। বলা হয়, সব রসুনের গোঁড়া এক জায়গায়। তাই রসুন বোনা মানে একতার বীজ বপন। খাজনা-লোভী বর্গীদের হুঁশিয়ার করে দেয়া - আর ক’টা দিন সবুর করো বাছা, আমাদের পরের প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে একতার বলে বলীয়ান হয়ে। কার কী পাওনা কড়ায়-গণ্ডায় মিটিয়ে দেবে ওরা!

(সংগৃহীত)

ক্যাপ্টেন তামিম ইকবালের সাথে হওয়া  অন্যায়ের কারণে দেশবাসীর সফট জোনে ছিলেন খান সাহেব। বোর্ড পরিচালনা সংশ্লিষ্ট কিছু পাও...
20/03/2024

ক্যাপ্টেন তামিম ইকবালের সাথে হওয়া অন্যায়ের কারণে দেশবাসীর সফট জোনে ছিলেন খান সাহেব। বোর্ড পরিচালনা সংশ্লিষ্ট কিছু পাওয়ারফুল ডিরেক্টর এবং ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট কয়েকজন বর্তমান এমপিও Mass পিপলের ব্যাড বুকে ছিলেন। তাই তামিমের ক্যারেক্টার কে দেশবাসীর সামনে ফালতু হিসেবে উপস্থাপন এর একটা নোংরা প্রচেষ্টা বিশ্বকাপের আগে থেকেই ছিল। বিশ্বকাপের আগে সাকিবের সাক্ষাৎকারেও সেটা দেখা যায়। এর পরেও তাকে ফাঁদে ফেলার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা হয়। ঐসব ফাঁদে তামিম পুরোপুরি পা না দিলেও গতকালের ঘটনায় তামিম ইকবাল পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে চগদের তানভীর ও পৈ পৈ শকুনের উপর অর্পিত দায়িত্ব বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেছেন। এই ঘটনায় বিজ্ঞাপনী কৌশল বা দূরদর্শীতার আড়ালে যে পলিটিক্যাল কূট-চাল বা কূট কৌশল ছিল না তা কি করে বলি!

16/03/2024

সত্যজিৎ রায় যখন সিদ্ধান্ত নিলেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসটি নিয়ে সিনেমা বানাবেন, তখন তিনি একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থায় চাকরি করেন। মাত্র ৭০ হাজার টাকা বাজেটের সিনেমাটির জন্য একজন প্রযোজক খুঁজে বেড়াচ্ছেন দ্বারে দ্বারে। এত কম বাজেটের একটা মুভি, তা-ও প্রযোজক পাচ্ছেন না তিনি। বিচিত্র সব চাহিদা একেকজনের। কেউ বলেন এটা বদলান; কেউ বলেন ওটা বদলান, কেউ বলেন, সিনেমায় স্টার নেই, গান নেই, মারপিট নেই—এত বাজেট কেন?
মজার ব্যাপার হলো, ‘পথের পাঁচালী’র কোনো পূর্ণাঙ্গ স্ক্রিপ্ট পর্যন্ত ছিল না। শুধু একতাড়া কাগজে কিছু নোট আর কিছু স্কেচ। সত্যজিৎ আসলে কখনো পূর্ণাঙ্গ স্ক্রিপ্টের প্রয়োজনীয়তাই বোধ করেননি। প্রতিটি দৃশ্য তাঁর মাথায় এমনভাবে গাঁথা ছিল যে সেসবের দরকার ছিল না।
একদিকে প্রযোজকের খোঁজ, খরচ বাঁচানোর চিন্তায় নানা উদ্যোগ নেওয়া, এরপর চরিত্রের জন্য অভিনেতা খোঁজা। সব মিলিয়ে অবস্থা এমন ছিল যে সিনেমাটা বানানো নিয়েই আলাদা উপন্যাস বা আরেকটা সিনেমা বানানো যায়।
তো ‘পথের পাঁচালী’র শুটিং শুরু হলো। সাউন্ড-রেকর্ডিস্টের খরচ বাঁচানোর জন্য শুরুতে এমন কিছু শট দিয়ে সিনেমা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো যাতে আদতে কোনো সংলাপ নেই। প্রথম দিনের দৃশ্য ছিল এমন: কাশবনের মধ্য দিয়ে অপু হাঁটছে। দিদি দুর্গাকে খুঁজছে সে। খানিক হাঁটবে, এদিক-ওদিক দিদিকে খুঁজবে, এগিয়ে যাবে...
পাশের ফ্ল্যাটবাড়ির সামনের খেলার মাঠে দাদা আর বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে দেখে সুবীর নামের যে ছেলেকে অপু চরিত্রের জন্য পছন্দ করেছিলেন সত্যজিতের স্ত্রী, দেখা গেল ক্যামেরার সামনে প্রথম দাঁড়ানো সে ছেলেটির হাঁটা মোটেই স্বাভাবিক নয়, আড়ষ্ট। এদিকে দামি নেগেটিভ খরচ হচ্ছে। সত্যজিতের মাথায় হাত। কী করা যায় ভাবতে ভাবতে মাথায় একটা বুদ্ধি এল। খানিক পরপর তিন সহকারীকে এদিক-ওদিক দাঁড় করিয়ে দিলেন সত্যজিৎ—নির্দিষ্ট সময় অন্তর-অন্তর সুবীরকে তাঁরা নাম ধরে ডাকবেন। ডাক শুনে সুবীর সেদিকে তাকাবে, যেদিক থেকে ডাকটা আসছে। দাঁড়ানো চলবে না। পথের ওপর এদিক-সেদিক ফেলে রাখা হলো শুকনো ডাল। সেসব লাফিয়ে পার হতে হবে সুবীরকে।
এবার আর ভুল হয় না। সহজাত অভিনয়প্রতিভা নেই, এমন এক ছেলের অনিশ্চিত ভঙ্গির হাঁটা দিয়ে শুরু হয় নতুন এক ইতিহাসের প্রথম পা ফেলা।
সত্যজিৎ রায়ের ‘অপুর পাঁচালি’ পড়ছিলাম। কী অদ্ভুতভাবে একটি সিনেমা বানিয়েছেন! কত কম বাজেটে! অথচ বাংলা সিনেমা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে 'বাজেট কম'-এর ছুতোয়। অভিনয় ভালো নয়--বাজেট কম। গল্প মৌলিক নয়, দুর্বল--বাজেট কম। বাজেট বেশিতেই কী কী 'সোনা' তারা ফলেছেন?

_রাসেল রায়হান

আর্ট: জাহিদ

০৮/০৩/২০২৪
08/03/2024

০৮/০৩/২০২৪

Address

Feni

Telephone

01778643947

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Javed Aziz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category