স্বপ্ন আর সাহস নিয়ে এ পথে আসা, বানাবেন ছবি, হবেন পরিচালক। পরিচালক হয়েছেন অনেক আগেই আর ছবি বানানোর স্বপ্ন এখন চোখের সামনে তরুন এই নির্মাতার জন্ম টাংগাইল জেলায়। সেখানেই শেষ করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের গন্ডি। পরে ঢাকার তিতুমীর কলেজ থেকে দর্শন শাস্ত্রে মাস্টার্স শেষ করেন।এরপর পা বাড়ান স্বপ্ন বাস্তবায়নে। শিক্ষক হিসেবে পয়েছেন তানভীর মোকাম্মেল,পন্কজ পালিত,মকসুদুল বারী উনাদের মতো আদর্শবান মানুষদের ।
বিভিন্ন কর্মশালা করতে গিয়ে পরিচালক রাজু খানের হাত ধরে মিডিয়াতে সহকারী হিসাবে কাজ করতে থাকেন।
পরে অভিনেতা ও নির্মাতা শাহেদ শরীফ খানের সাথে সহকারী হিসাবে কাজ শুরু করে। এখনো পর্যন্ত তাকেই গুরু মেনে চলেন। ২০১০ সালে প্রথম পরিচালক হিসেবে আত্বপ্রকাশ করেন “ঘুম নেই” ধারাবাহিক নাটকের মাধ্যমে। এর পর তিনি মনঃসমীক্ষক, টস্, বড় চাচার সাইকেল, প্রহর, স্বপ্নগুলো ডানা মেলে সহ বেশ কয়েকটি টেলিফিল্ম, এবং কয়েকটি একক নাটক পরিচালনা করেন । এর পর এস এ টিভি তে কাজ শুরু করেন এন.সি.এ প্রোগ্রাম প্রডিউসার হিসেবে। এস এ টিভিতে “চারপাশ” নামক একটি অনুষ্ঠান করেন, এটি বেশ দর্শকপ্রিয়তা পায়। “চারপাশের”একটি পর্ব “বায়স্কোপওয়ালা” এই পর্ব থেকে রিয়াজুল রিজুর এই চলচ্চিত্রের স্বপ্ন দেখা ।
গুরু শাহেদ শরীফ খান এবং তৌফিক শান্ত এর অনুপ্রেরণায় “বাপজানের বায়স্কোপ” চলচ্চিত্রের পথ দেখা। চলচ্চিত্রটির কাহিনী ও সংলাপ করেন বিশিষ্ট নাট্যকার মাসুম রেজা । এত কিছুর পরেও যেন নেশা কাটতে চায় না পরিচালক রিয়াজুল রিজুর।
স্বপ্ন যে এখনো বাকি। একজন পরিচালকের নেশার প্রাপ্তি ঘটে চলচ্চিত্র নির্মানে। কিন্তু সব শুরুর আগেই আসে বাধা, টাকা নেই স্পন্সর নেই ছবি হবে কিভাবে। যাই হোক থেমে না থেকে সে চলে যায় “বাপজানের বায়স্কোপ” শুটিং স্পটে সেখানে একটু একটু করে সেট নির্মান করতে থাকেন। একটি চর কে সে বাসযোগ্য করে তোলেন, যে চরের যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল খুবই কঠিন রয়েল অটো এর অন্যতম কর্নধার এম,এ,হোসেইন মন্জু এবং তার বন্ধু-বান্ধব,পরিবার ও শুভাকাক্ষীদের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে একটু গুছিয়ে শুটিং শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। চলচ্চিত্রটির শুটিং এর কাজ শেষ । এই তরুন পরিচালক এর তরুন দল কোন ভাবেই হারমানেনি তাদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে। এই চলচ্চিত্রের প্রতিটি কলা-কুশলী কাজ করেছেন তাদের মন থেকে । রিয়াজুল রিজু পরিচালিত বাপজানের বায়স্কোপ চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন- শহিদুজ্জামান সেলিম,শতাব্দী ওয়াদুদ, সানজিদা তন্ময়, হাফসা মৌটুসী, মাসুদ মহিউদ্দিন, তারেকবাবু, বৈদ্যনাথ, উজ্জল কবির হিমু, আহমেদ হিমু ও মামুন খান।
চলচ্চিত্রটির কাহিনী ও সংলাপ লিখেছেন মাসুম রেজা, চিত্রগ্রহনে আছেন মেহেদি রনি গানের কথা ও সুর করেছেন অয়ন চৌধুরী ও আমিরুল ইসলাম। সংগীতায়োজনে আছেন এসআই টুটুল,অমিত মল্লিক ও সেতু চৌধুরী। কন্ঠ দিয়েছেন এসআই টুটুল, চন্দনা মজুমদার,মাসুদ মহিউদ্দিন, অমিত মল্লিক, শিমুল খান, সায়েম বিপ্লব, মিলন ও আমিরুল ইসলাম.......................