Tarek's Tales and Thoughts

Tarek's Tales and Thoughts স্পোর্টস একটা আস্ত জীবন৷ তাই জীবনের নেপথ্যের গল্প মিলবে এখানে, কালেভদ্রে মিলবে বই-পত্র, সিনেমা...
(1)

সৌরভ নেত্রভালকার একটা ইন্ট্রেস্টিং ক্যারেক্টার৷ লোকেশ রাহুল, মায়াঙ্ক আগারওয়ালদের সাথে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে খেলা এ...
06/06/2024

সৌরভ নেত্রভালকার একটা ইন্ট্রেস্টিং ক্যারেক্টার৷ লোকেশ রাহুল, মায়াঙ্ক আগারওয়ালদের সাথে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে খেলা এ লেফটি পেসার ক্রিকেটের বাহিরেও ভীষণ ট্যালেন্টেড৷ ট্যালেন্টেড বলছি এই অর্থে, ক্রিকেট আর কোডিং দুটোই একসঙ্গে সাফল্যের সাথে চালিয়ে যেতে পেরেছেন বলে।

মুম্বাই ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সাইন্সে স্নাতক শেষ করার পর যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সুযোগ হয়। সেখানে কর্নেল ক্রিকেট ক্লাবে বেশকিছু দিন খেলে ধীরে ধীরে ইউএস ক্রিকেটের পরিচিত নাম হয়ে ওঠে নেত্রভালকার৷ এর মাঝে ওরাকলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেছেন সাত বছরের বেশি সময়৷ আজ সুপার ওভারে ঠান্ডা মাথার বোলিং, ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক জয়। এমন ক্যারেক্টারকে ট্যালেন্টেড না বলে কি বলবেন?

টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ব্যালেন্সিং সাইড কলকাতা নাইট রাইডার্স৷ ব্যাটিং-বোলিং কিংবা অলরাউন্ডার প্রতিটা বিভাগেই ইন-ফর্ম পারফর...
26/05/2024

টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ব্যালেন্সিং সাইড কলকাতা নাইট রাইডার্স৷ ব্যাটিং-বোলিং কিংবা অলরাউন্ডার প্রতিটা বিভাগেই ইন-ফর্ম পারফর্মার৷ ডাগআউটে বসে আছেন প্রখর মস্তিষ্কের গৌতম গম্ভীর, চন্দ্রকান্ত পণ্ডিতের মতো বড় নাম। প্লে-অফ থেকে বিধ্বংসী হয়ে ওঠা মিচেল স্টার্ক নাইট রাইডার্সের শিরোপা জয়ের অন্যতম বড় কুশীলব৷ আজ ম্যাচের শুরুতেই মোমেন্টাম হাতিয়ে নিয়েছে স্টার্ক৷

কলকাতার তিনে-তিন। তিন শিরোপার পাশাপাশি হায়দ্রাবাদের মতো হেভিওয়েট ব্যাটিং লাইনকে এক আসরে তিনবার গুঁড়িয়ে দেওয়া কঠিনই৷ কেকেআর সেটাই করলো খুব সুনিপুণভাবে। অভিনন্দন নাইট রাইডার্স।

তবে ক্রেডিট অবশ্যই প্যাট কামিন্সকেও দিতে হয়৷ আজকের ম্যাচ দিয়ে প্রমাণ হলো প্যাট কামিন্স আসলে 'হিউম্যান'। সাম্প্রতিক সময়ে যে হারে ফাইনাল জেতা শুরু করেছিলেন, অনেকের মতো আমিও ধরেই নিয়েছিলাম আইপিএল শিরোপাও কামিন্সের দিকে যাচ্ছে।

কিন্তু টুর্নামেন্টজুড়ে ধুন্ধুমার ক্রিকেট দেখার পর এমন ম্যাঁড়ম্যাড়ে ফাইনাল একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল। স্মরণকালে এমন ফাইনাল আর দেখা হয়নি৷

উত্তাপ-উত্তেজনার সবটা জুড়ে ছিল আশি হাজার দর্শকের সিগনাল ইদুনা পার্ক৷ গ্যালারি থেকে হলুদের গগনবিদারী চিৎকার আর মাঠের ফুটব...
01/05/2024

উত্তাপ-উত্তেজনার সবটা জুড়ে ছিল আশি হাজার দর্শকের সিগনাল ইদুনা পার্ক৷ গ্যালারি থেকে হলুদের গগনবিদারী চিৎকার আর মাঠের ফুটবলে ওরা এগারো জন। ম্যাচের আগে এই উত্তেজনায় বাড়তি পারদ যোগ করেন ডর্টমুন্ডের ডাচ ফুটবলার ইয়ান ম্যাটসেন। কিলিয়ান এমবাপ্পের গতি রুখে দিতে যদি মৃত্যুও হয়, মাথা পেতে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে রাখেন মাত্র বাইশে পা দেওয়া ম্যাটসেন৷ অভিধানে ম্যাটসেনের জন্যই হয়তো বরাদ্দ 'অদম্য' শব্দটা৷

সাদামাটা স্ক্রিপ্টের মতোই সাজানো-গোছানো এক ম্যাচ৷ তবে সময়ের সাথে ম্যাচের চরিত্রও পাল্টাতে থাকে৷ গোলমুখে বল পায়ে দুর্দান্ত কারিকুরি দেখার পর মাঝে মাঝে মুখ ফসকে বের হয় 'ওয়াও', 'জিনিয়াস' শব্দদ্বয়৷ ৭২ মিনিটে ইয়েলো ওয়ালের ওপর দিয়ে এমবাপ্পের বাড়ানো বলটায় ধারাভাষ্য কক্ষ থেকেও ভেসে আসলো,'জিনিয়াস'। কিন্তু কুলো মুয়ানি করে বসলেন স্বভাবসুলভ মিস৷

ডর্টমুন্ডের ব্যাকলাইন যেন আজ সত্যিকারের ইয়েলো ওয়াল৷ সলিড আর পারফেকশনের মিশেলে দারুণ এক রক্ষণ৷ গত ম্যাচে অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় টনি ক্রুসের অমন 'চোখের শান্তি' নামক পাসটার রেশ এখনো কাটেনি৷ আজও ৩৬ মিনিটে নিকো শ্লটারবেক ফুলগ্রুকের দিকে যে বলটা বাড়ালেন, যেন এক স্কেল মাপা পাস। দক্ষ শিল্পীর তুলির আঁচড়ে গড়ে ওঠা সুনিপুণ দৃশ্য৷ শ্লটারবেকের অমন বল থেকে গোল না হওয়া অন্যায়৷

চলতি সিজনে ১২ গোল আর ৮ অ্যাসিস্ট করা ফুলগ্রুক অন্যায় হতে দিলেন না৷ শ্লটারবেকের বাড়ানো বলকে জালে পাঠাতে সময় নিলেন কয়েক ন্যানো সেকেন্ড৷ ওই এক গোলেই মুখে হাসি ফুঁটে ইয়েলোদের৷ যে হাসি অমরত্ব পেতে পারে পার্ক দেস প্রিন্সেসে।

বেলো হরিজন্তের ট্রাজেডি থেকে রুশদের কাজান অ্যারেনা ও সর্বশেষ কাতারের আল-রাইয়ানের সবুজ ঘাস– যেখানে কেবল নিরবে-নির্ভৃতে চল...
29/04/2024

বেলো হরিজন্তের ট্রাজেডি থেকে রুশদের কাজান অ্যারেনা ও সর্বশেষ কাতারের আল-রাইয়ানের সবুজ ঘাস– যেখানে কেবল নিরবে-নির্ভৃতে চলচল চোখে কান্নাটুকু চেপে রেখেছেন বারংবার৷ এমনকি আজ ইউরোপের ফুটবলকে বিদায় বলার আগেও৷

ঊনচল্লিশ বছর বয়সেও মানুষটা বল পায়ে দেখিয়েছেন কিভাবে এক টগবগে তরুণ হওয়া যায়৷ বয়সের ভারে নুয়ে না পড়ে পরম যত্নে আগলে রাখেন রক্ষণ নামক শিল্পটা৷ ক্যাপ্টেনের আর্মব্যান্ড পরে আগলে রাখতে জানেন সতীর্থদেরও৷

থিয়াগো সিলভার রিও থেকে লন্ডনে আসার জীবনগল্প আপাদমস্তক সংগ্রামে ঠাসা। রিও'র সেই অলিগলিতে ফুটবলে মত্ত হওয়া, নানান প্রতিবন্ধকতা, ঝড়-ঝঞ্ঝাট উপেক্ষা করে সময়ের সাথে সাথে পরিণত হয়েছেন। বড় বেলায় স্থানীয় ক্লাব মাদুরেইরা,ওদারিয়া কিংবা বোতাফোগোকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন কিভাবে ট্রায়াল থেকে বাদ যেয়েও বিশ্বসেরা হওয়া যায়৷

এরপরের গল্পটা তো দিনের আলোর ন্যায় স্বচ্ছ্ব।
ল্যাতিন আমেরিকার ফুটবলারদের ইউরোপীয় আঁতুড়ঘর পোর্তো থেকে মস্কো, মিলান,প্যারিস হয়ে সর্বশেষ লন্ডনের স্টামফোর্ড ব্রিজে তাবু টেনেছেন৷ চেলসির হয়ে জিতেছেন পরম আরাধ্যের চ্যাম্পিয়ন্স লীগ৷ আর আজ বিদায় বেলায় ছোট্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন,''Everything has a start, Middle and an end."

কোনো যুক্তি-পরিসংখ্যান ছাড়াই থিয়াগো সিলভা আমার চোখে দুনিয়ার সেরা সেন্টারব্যাক। নাহ, এখানে কোনো বাস্তবতার লেশ নেই, আছে কেবল অসীম ভালোবাসা।

He is everywhere, The flying Mitchell💛5 catches in a match.
28/04/2024

He is everywhere, The flying Mitchell💛

5 catches in a match.

চল্লিশের দশকের শুরুর দিকে তাবৎ দুনিয়ার অন্যতম সেরা ফুটবল দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনার 'রিভার প্লেট'। অভিভাবক কার্লোস পিউলেস...
25/04/2024

চল্লিশের দশকের শুরুর দিকে তাবৎ দুনিয়ার অন্যতম সেরা ফুটবল দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনার 'রিভার প্লেট'। অভিভাবক কার্লোস পিউলেস গর্ব করে বলতেন,'আমাদের কৌশল প্রথাগত ১-২-৩-৫ নয়, বরং ১-১০'।

মুনোজ, মোরেনো, পেদেরনেরা, লাবুর্নাদের নিয়ে গড়া দুর্ধর্ষ রিভার প্লেটকে ডাকা হতো 'মেশিন'। বলা হয়, 'তাঁরা যখন মাঠে নেমে খেলতো তখন গোলাকার বলটা হয়ে যেত তাঁদের কাছে পোষা কুকুরের মতো, এ পোষা কুকুরটি কখনো গোলের জাল ছাড়া অন্য কোথাও জড়াতো না'

দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল পাড়ায় রিভার প্লেট তখন প্রতিপক্ষকে নিয়মকরে আটলান্টিকের ঢেউয়ের মতো এদিক-ওদিক আঁচড়ে ফেলত৷ রিভারপ্লেট থেকে উত্তাল আটলান্টিক মাড়িয়ে আমস্টারডামের দূরত্ব প্রায় হাজার কিলোমিটার। সত্তরের দশকে ডাচ দলটাকে বলা হতো 'ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ'। রিভার প্লেটের মেশিন ফুটবলের মতো এরাও ফুটবল মাঠে ছিল অপ্রতিরোধ্য। তাঁরা এমনই সংগঠিত ছিল যে, মাঠে তারা প্রথাগত কৌশলকে তুড়ি মেরে এগারো জনই এক হয়ে যেত। ব্রাজিলের এক প্রতিবেদক এ দলটাকে বলে বসেন 'সংগঠিত অসংগঠন'।

ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জকে যদি বলা হয় আস্ত একটা সংগীত, তাহলে জোহান ক্রুইফ ছিলেন সেই সংগীতের মূল সুর। ফুটবল প্রেমিক বাবা কর্নেলিস ক্রুইফের স্বপ্ন ছিলছেলে শুধু দেশে নয়, দেশ ছাড়িয়ে তাবৎ দুনিয়ায় অরেঞ্জ বিপ্লব ঘটাবেন। একসময় বাবার সেই স্বপ্ন পরিণত হয় নিজের স্বপ্নে৷

সেই পরম কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের তাগিদে আমস্টাডামের পথে ঘাটে নিয়মকরে ফুটবল খেলতেন ক্রুইফ। ক্রুইফের বাল্য বেলার আইকন আরেক ডাচ ফুটবলার ফাস উইলক্স৷ উইলক্সের চোখধাঁধানো ড্রিবলিংয়ের মোহে আঁটকা পড়েন ক্রুইফ৷ বুকে জমা রাখতেন বাবার অরেঞ্জ বিপ্লবের স্বপ্ন, আর মাথায় চলতো ফুটবল প্রেম। ফুটবলের প্রতি ক্রুইফের গভীর অনুরাগ ও বল পায়ে কাঁড়িকুঁড়ির মুগ্ধতায় ফেঁসে যান তৎকালীন আয়াক্স তরুণ দলের কোচ জেনি ভ্যান ডের বীন। কোনো ট্রায়াল ছাড়াই আয়াক্স জুনিয়র টিমের খেলার বন্দোবস্ত হয়ে যায়। এরপরের গল্পের ক্রুইফ তো আস্ত এক সিনেমা।

১৯৫৭ থেকে ১৯৬৪ সাল। এর মাঝে কেটে গেছে সাতটি বছর। ফুটবলের প্রতি ক্রুইফের প্রেম এ সাত বছরে আরো শানিত হয়। ৬৪ সালের ১৫ই নভেম্বরের কোনো এক গোধূলি বেলায় জিভিয়েভির বিপক্ষের ম্যাচ দিয়ে আয়াক্স মূল টিমে ক্রুইফের অভিষেক হয়। স্বপ্নের প্রথমে পদক্ষেপে গোল পেলেও বিধাতার
খাতায় লেখা ছিল 'আয়াক্সের হার'। আয়াক্স ৩-১ ব্যাবধানে হেরে যায়। ১৯৬৪-৬৫ এ মৌসুম ছিল আয়াক্সের ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে মৌসুম। লিগে ১৩তম হয়ে মৌসুম শেষ করতে হয় আয়াক্সের। কিন্তু ক্রুইফ ছিলেন তাঁর স্বপ্ন নামক পরম আরাধ্যের নিয়মিত পূজারী৷ আয়াক্সের ভরাডুবির মৌসমেও তাঁর পা থেকে আসে ৯ ম্যাচে ৪ গোল। এরপর আয়াক্সের দৃশ্যপটেও তৈরি এক স্মরণীয় যাত্রা…

পুরোদমে টোটাল ফুটবল ট্যাক্টিকসের সাথে মিশেল এবং লেভকে নিয়ে আয়াক্সকে তাবৎ দুনিয়ার অন্যতম সেরা দল পরিণত করেন ক্রুইফ। ফলাফল ১৯৬৬-১৬৬৭ পর্যন্ত আয়াক্স টানা তিনবারের মতো লীগ জয় করে৷ এরপর ক্যালেন্ডারের পাতায় ১৯৭২ সাল আসার আগেই আয়াক্স ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্বের কাতারে নাম লেখায়। ১৯৭২ সালে আরেক ইতালীয় জায়ান্ট ইন্টার মিলানকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২য় বারের মত ইউরোপিয়ান কাপ জয় করে আয়াক্স। এবং দুটো গোলই আসে ক্রুইফ নামক এক ডাচ দার্শনিকের পা থেকে। ম্যাচ শেষে ডাচ পত্রিকাগুলোর হেডলাইনে গোটা গোটা অক্ষরে লেখা "টোটাল ফুটবলের সামনে ইতালির ডিফেন্সিভ ফুটবলের মৃত্যু''। কয়েকটি পত্রিকা আরো রায় দেয়,'ক্রুইফ একাই শুধু ইতালিয়া ইন্টার মিলানকে ফাইনাল থেকে ছুড়ে ফেলে দেয়।'

ক্রুইফের বার্সা অধ্যায়ে যোগ হয় নানা বিশেষণ ও কৃতিত্ব। ১৯৭৩ এর ডিসেম্বরে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে বার্সার ম্যাচ চলছিল। ম্যাচের এক পর্যায়ে ডি-বক্সের ডান সাইড থেকে ক্রস আসে, ঐ সময় বলের উচ্চতা ছিল ঘাসের ডগা থেকে মাদ্রিদ গোলকিপার মিগুয়েল রেইনার ঠিক বরাবর৷ ক্রুইফ বাতাসের বেগে লাফিয়ে উঠে ডান পা দিয়ে কিক করেন। বল রেইনাকে ফাঁকি দিয়ে খুঁজে নেয় নিজের ঠিকানা। যে গোলটিকে লোকে দরদ ভরা কন্ঠে ডাকে
"দি ফ্যান্টম গোল"।

পরবর্তীতে কাতালোনিয়ারা গোলটার নাম দেয় "Le but impossible de Cruyff" যার অর্থ হল "ক্রুইফের অসম্ভব গোল"। রাতারাতি ক্রুইফ বনে যান"the Flying Dutchman তথা এক উড়ন্ত ওলন্দাজ" নামে। এরপর বার্সার হয়ে ক্রুইফ নিজেকে নিয়ে যান সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাহিরে। বাবার সেই ছোটবেলার স্বপ্নকে আগলে রাখেন পরম যত্নে। দল ও নিজেকে নিয়ে যান ফুটবলীয় সাম্রাজ্যের এক অনন্য উচ্চতায়। পরিণত হন সমর্থকদের মুখের স্লোগানে। তাই তো ক্রুইফের লোকান্তর প্রাপ্তির দিনেও ৯০ হাজার বার্সা ফ্যান সমস্বরে বলে উঠে ''Gracies Johan'' বাংলায় যার তরজমা 'তোমাকে ধন্যবাদ, জোহান'

শুভ জন্মদিন Gracies Johan…..🧡

নিকোলাস পুরান ও মার্কাস স্টোয়ানিস–টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের দুই হেভিওয়েট ব্যাটার। খুব সম্ভবত যেকোনো বোলিং অ্যাটাকের বিপক্ষেই...
23/04/2024

নিকোলাস পুরান ও মার্কাস স্টোয়ানিস–টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের দুই হেভিওয়েট ব্যাটার। খুব সম্ভবত যেকোনো বোলিং অ্যাটাকের বিপক্ষেই তাঁরা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাট চালাতে জানেন। তবুও আজ ম্যাচের হাবভাব বলছিল পাথিরানা-মুস্তাফিজ দুজনেই বুঝি ২১০ রান ডিফেন্ড করবেন। সেই ধাঁচেই ম্যাচটা চলছিল। কিন্তু ফলাফল উল্টো!

চতুর্থ উইকেটে ৩৪ বলে ৭০ ও পঞ্চম উইকেটে ১৯ বলে ৫৫ রানের যে অতিমনবীয় দুটি জুটি হয়ে গেল, সেখানেই ম্যাচটা ফসকে গেল৷ অবশ্য এর আগেই শার্দুল ঠাকুরের ওভারটা চেন্নাইকে হারের দিকে একধাপ এগিয়ে নিয়েছে কেবল। বাকি কাজটা শেষ ওভারে মোস্তাফিজই করলেন৷ শেষদিকে এসে মোস্তাফিজের এমন ছন্নছাড়া রূপে ফেরাটা ভীষণ অদ্ভুত ঠেকেছে৷ আজকের ম্যাচ পূর্বের দু-চারটে ভালো বোলিং ফিগারের গায়ে চুনকালি মাখতে যথেষ্ঠও বটে৷

Remember the name!  New starboy is coming from Australia. 68 from 18 balls, holding the fastes fifty record in IPL 2024....
20/04/2024

Remember the name!

New starboy is coming from Australia. 68 from 18 balls, holding the fastes fifty record in IPL 2024. 🙌🏻

Jake Fraser-McGurk, take a bow💙

খুব সম্ভবত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ব্যকরণই পাল্টে দিয়েছে চলতি আসরের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ধুন্ধুমার ...
20/04/2024

খুব সম্ভবত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ব্যকরণই পাল্টে দিয়েছে চলতি আসরের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ধুন্ধুমার ব্যাটিং হবে এমনটাই তো অনুমেয়। তাই বলে এতোটাও? পুরো 'রিয়েল ক্রিকেট' মুডে ব্যাট চালিয়েছেন অভিষেক শর্মা ও ট্রাভিস হেড৷

ভবিষ্যতের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট কেমন হতে যাচ্ছে তারই একেকটা ঝলক দেখাচ্ছে কামিন্স অ্যান্ড কো। বিগত সব রেকর্ড ভেঙে আইপিএলের একের পর এক চমক দেখাচ্ছে হায়দরাবাদ। আইপিএলের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোরের পাঁচটির মধ্যে তিনটিই যে এখন হায়দরাবাদের। এমনকি এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ২২টি ছক্কার রেকর্ডও নিজেদের করে নিলো সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ২৫০+ স্কোরের রেকর্ডটা এতোদিন ছিল সারে কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের। এবার সেখানেও ভাগ বসালো হায়দরাবাদ। টি-টোয়েন্টি আঙিনায় সারে ক্রিকেট ক্লাবের মতো সানরাইজার্স হায়দরাবাদও সর্বোচ্চ তিনবার ২৫০+ রানের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে৷ সবমিলিয়ে চলতি আসরের শিরোপার লড়াইয়ে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে আছে কামিন্সরা৷

From Neverkusen to Neverloosen! 🔴⚫Leverkusen holds the first Bundesliga title, breaking Bayern's 11 year run. Kudos to X...
14/04/2024

From Neverkusen to Neverloosen! 🔴⚫

Leverkusen holds the first Bundesliga title, breaking Bayern's 11 year run. Kudos to Xabi Alonso🗿

মহেন্দ্র সিং ধোনি সম্ভবত আজীবনের জন্যই ক্রিকেটে এসেছেন৷ মাঠে নেমেছেন টি-টোয়েন্টি'র ২৫০ ম্যাচের অভিজ্ঞতা নিয়ে৷ বয়সটা এখন ...
14/04/2024

মহেন্দ্র সিং ধোনি সম্ভবত আজীবনের জন্যই ক্রিকেটে এসেছেন৷ মাঠে নেমেছেন টি-টোয়েন্টি'র ২৫০ ম্যাচের অভিজ্ঞতা নিয়ে৷ বয়সটা এখন বেয়াল্লিশের ঘরে৷ তাতে কি আসে যায় ধোনির? ব্যাট হাতে এখনো ফিনিশারের ভূমিকায় ধোনির চেয়ে বেটার কেউ যে নেই, তা আবারও প্রমাণ করলেন ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে।

ইনিংসের সমাপনী ওভারে হার্দিক পান্ডিয়ার কেবল ৪টি বল খেলার সুযোগ হয় ধোনির৷ প্রথম বলে লং অফ, দ্বিতীয় বলে লং অন আর তৃতীয় বলটা পাঠিয়ে দেন ডিপ স্কয়ার লেগের ওপর দিয়ে৷ শেষ চার বলে ৫০০ স্ট্রাইক রেটে ধোনির ব্যাট থেকে আসে ২০ রান! ভাবা যায়?

এপিক ইউসিএল নাইট৷ যেন ক্ষণে ক্ষণে রূপ বদলানো এক সিনেমার প্লট। সম্ভবত এমন ম্যাচ টানা আরও ঘন্টা দুয়েক দেখলেও বিরক্তি শব্দট...
09/04/2024

এপিক ইউসিএল নাইট৷ যেন ক্ষণে ক্ষণে রূপ বদলানো এক সিনেমার প্লট। সম্ভবত এমন ম্যাচ টানা আরও ঘন্টা দুয়েক দেখলেও বিরক্তি শব্দটা বাধা দেওয়ার সাহস পাবে না৷ তিনে-তিন, তাতেও বোধহয় কোথাও সান্তিয়াগো বার্নাব্যু একটা অতৃপ্তি রেখে গেল৷ রদ্রিগোর ঠান্ডা মাথার ফিনিশিং, ভালভার্দের চোখ ধাঁধানো শট কিংবা ভার্দিওলের রকেট শটে উত্থান– সবমিলিয়ে এমন ম্যাচ আপনি বারংবার দেখতে চাইবেন৷

A night we never forget!

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tarek's Tales and Thoughts posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tarek's Tales and Thoughts:

Share

Category