Movie sumon

Movie sumon Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Movie sumon, Cinema, Dhaka.

20/08/2024

আজকে ডাইবেটিক্স মোরে সপ্ন যাই কিছু কেনাকাটা করতে প্রথমে সরিষার তেল নেই ২৫০ গ্রাম যার সামনে কাগজে বড় করে লেখা ছিল ২৫০ গ্রাম রেগুলার প্রাইস ১৭০ টাকা অফার প্রাইস ১৩১ টাকা। বাচলো ৩৯ টাকা তো আমি যথারীতি তেল ২৫০ এম এল নিই।মুসুর ডাল কাগজে লেখা ছিল ১১০ টাকা কেজি।ডাল নেই ১ কেজি নিয়ে যখন বিল দিতে যাই তখন আমাকে বিল দেয় আমি বিল দেখে জিগাস্যা করি তেল ১৫১ টাকা কেনো আমাকে জানায় বাকি ২০ টাকা ভ্যাট থেকে বাদ দেয়া আছে পরে আমি ভালো করে ভ্যাটের হিসাব করি দেখি সেখানেও ২০ টাকার গোলমাল আমি জানতে চাই তখন ম্যানেজার বলেন এটা আজকেই ২০ টাকা রেট বারাইছে যেটা ওখানে লেখা হয়নি।বিল দেই চলে আসি এসে দেখি মুসুর ডাল ১১৫ টাকা রাখছে। আমি আবার ঘুরে যাই সেম কথাই বলে।এখন কথা হলো তার গোডাউনে হয়তো ৫/১০/১৫ বস্তা মুসুর ডাল আছে সে কিন্তু বারতি দাম দিয়ে কেনে নাই অথচ যদি এভাবে চিটারি করে কামাই করে তাহলে দেশের.......

 #সময়টা ১৩ আগস্ট ২০১৮। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক ব্যক্তি পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে নিজের তিন মাসের গর্ভবতী স্ত্রী এবং  নিষ্পাপ দু...
12/05/2023

#সময়টা ১৩ আগস্ট ২০১৮। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক ব্যক্তি পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে নিজের তিন মাসের গর্ভবতী স্ত্রী এবং নিষ্পাপ দুই কন্যা সন্তানকে খুবই নৃশংসভাবে হ*ত্যা করেন। কিন্তু কেন....

সবাই লাইক কমেন্ট এবং পেজ-টি ফলো করে সাথে থাকবেন। তাহলে আপনাদের রেসপন্সের উপর ভিত্তিতে সম্পূর্ণ কাহিনী খুব শীঘ্রই পোস্ট করা হবে। ধন্যবাদ



Author: M A Salam Sumon

 #সম্পূর্ণ সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত কাহিনী..বিস্তারিত #প্লট: ভারতের ভোপালে প্রেমিকাকে খু*ন করে দেহ ট্রাঙ্কে ঢুকিয়ে সিম...
12/05/2023

#সম্পূর্ণ সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত কাহিনী..বিস্তারিত

#প্লট: ভারতের ভোপালে প্রেমিকাকে খু*ন করে দেহ ট্রাঙ্কে ঢুকিয়ে সিমেন্ট ঢালাই করে ফেলেছিল 'উদয়ন দাস' নামের এক সিরিয়াল কিলার। শুধু তাই নয়, দেহের উপর সিমেন্টের বেদী বানিয়ে তাতে দেব-দেবীর পূজা করাও শুরু করে দিয়েছিল। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আরও বেরিয়ে আসে ভয়ংকর তথ্য- সে এর আগেও বাবা-মাকে একই কায়দায় খু*ন করে দেহ পুঁতে ফেলেছিল...কিন্তু কেন??

এই কাহিনিটি 'উদয়ন দাস' নামের এক সিরিয়াল কিলারকে কেন্দ্র করে নির্মিত। উদয়নের পিতা ছিল 'বীরেন্দ্রকুমার দাস'। তিনি একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে নিয়োজিত ছিল। উদয়নের মাতা ছিল 'ইন্দ্রাণী দাস'। তিনি ছিলেন 'ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ'। তাদের শুধুমাত্র একটি পুত্রসন্তান 'উদয়ন দাস'। একমাত্র পুত্রসন্তান হওয়ায় পিতামাতার গচ্ছিত টাকা ও ভাড়ার টাকা দিয়েই খরচ চলতো তার। ব্যবহার করতো নামি-দামি গাড়ি।

ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড, টাকা পয়সার কোনো কমতি ছিল না। তাদের ভারতের ছত্তিসগড় রাজ্যে রায়পুর জেলায় একটি ফ্ল্যাট বাড়িও রয়েছিলো। পরবর্তীতে 'ইন্দ্রাণী দাস' চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত হয়ে সেই ফ্ল্যাট বাড়িতে অবস্থান করা শুরু করেন।

উদয়ন দাস এক সাক্ষাৎকারে বলেছিল- সে দিল্লির একটি আইটিআই কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেছে। তবে উদয়নের তেমন কোন বন্ধুবান্ধব ছিল না। সে দেখতে কুৎসিত ছিল বিদায় অনেকেই তাকে অপছন্দ করত।

সে ধীরেধীরে মদপান করতে শুরু করে। বিষয়টি নিয়ে পিতামাতা খুবই চিন্তিত ছিল। শাসন করতে চাইলে উল্টো উদয়ন দাস প্রচন্ডভাবে রেগে যেত। মাদকাসক্ত হয়ে তার মাথায় বিভিন্ন ধরনের চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছিলো।

২০১০ সালে সে 'দ্য ওয়ার্কিং ডেড' হলিউড মুভি দেখে তার আদলে পিতামাতাকে শ্বাসরোধ করে হ*ত্যা করেন। সেদিন বৃষ্টি হচ্ছিলো। আশেপাশে তেমনকোন বাড়িঘর ছিল না। বলতে গেলে রায়পুর তখন এতটা উন্নত ছিল না।

এরপর লাশ দু'টি কবর খুঁড়ে নিজ বাগানে দাফন করে দেন।

পিতামাতার একাউন্টের সব টাকা পয়সা নিয়ে সে রায়পুর থেকে ভোপাল চলে যায়। রায়পুর থেকে ভোপালের দূরত্ব প্রায় ৬৬০ কিলোমিটার। ১২ ঘন্টার পথ।

ভোপালে সে দোতলা বিশিষ্ট একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলায় অবস্থান করে। টাকা পয়সা ফুরিয়ে গেলে সে পুনরায় রায়পুর চলে আসে। আসার পর এক উকিলের কাছে ৩৫ লক্ষ টাকা দিয়ে ফ্ল্যাটবাড়ি বিক্রি করে দেন। সেই ৩৫ লক্ষ টাকা দিয়ে গার্লফ্রেন্ড নিয়ে ভ্রমনের উদ্দেশ্যে বিদেশে পাড়ি জমায়।

আনন্দ উল্লাসের পর নিজ দেশে ফিরে আসে। তার কাছে একটা গার্লফ্রেন্ড ৬ মাসের বেশিদিন থাকেনা। সবাই চলে যায়।

তারপর সরকারি কর্মীর সহায়তায় মায়ের পেনশনের টাকা ভোগ করতে থাকে।

পিতামাতার নামে সে ২০১২ সালে পাসপোর্টও তৈরি করেছিল। যাতে কেউ তার পিতামাতাকে নিয়ে সন্দেহ না করে। কেউ জিজ্ঞেস করলে তাদের বলতো- তার পিতামাতা যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছে। সেখানেই তাদের অবস্থান।

পুলিশ এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন- উদয়নের প্রায় ১১০ টি ফেইক আইডি রয়েছে। সেই আইডিতে সে কখনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির মালিক, কখনো তার ইউরোপে বড় বড় ব্যবসা রয়েছে, কখনোবা যুক্তরাষ্ট্রে তার বাড়িঘর রয়েছে। এককথায় ইন্টারন্যাশনাল 'চাপাবাজ'।

সেই চাপাবাজে শেষমেশ পা দিয়েছিলো 'আকাঙ্ক্ষা শর্মা' নামের ২৮ বছর বয়সী এক নারী। তার জানা ছিলোনা উদয়ন দাস এতবড় বাটপার। আকাঙ্ক্ষা শর্মার বাড়ি ছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বাঁকুড়ায়। ফেসবুকে তাদের দীর্ঘদিনের পরিচয়। শুরু হয় প্রেমের আলাপ।

যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিসেফের কাজে যোগ দিতে যাচ্ছেন বলে ২০১৬-র ২৩ জুন বাঁকুড়ার রবীন্দ্রসরণির বাড়ি থেকে ভোপাল উদয়ন দাসের বাসায় চলে আসে।

আসার পর আকাঙ্ক্ষা শর্মা বুঝতে পারে এতদিন ভুল মানুষের সাথে ভুল পরিচয় ছিল। উদয়ন দাস বাটপার, চিটার ও ধোঁকাবাজ।

শুরুতে উদয়ন দাস'কে বিশ্বাস করে ফ্যামিলির সাথে যোগাযোগ করা কমিয়ে দিয়েছিল। লোকেশন জেনে যাবে সেজন্য ফোনেও তেমন কথা বলতো না।

এক পর্যায়ে আকাঙ্ক্ষা শর্মা জানতে পারে- উদয়ন দাস নিজের পিতামাতাকে হ*ত্যা করেছেন। এমনকি তার সাথেও প্রতারণা করেছে। এই নিয়ে প্রায় সময় দু'জনের মধ্যে ঝগড়াবিবাদ সৃষ্টি হয়। সেই সুবাদে উদয়ন দাস আকাঙ্ক্ষা শর্মার গায়ে হাতও তুলেছিল।

আকাঙ্ক্ষা শর্মা আস্তে আস্তে তার থেকে দূরে যাওয়ার চেষ্টা করে। নতুন করে প্রাক্তন বয়ফ্রেন্ডের সাথে যোগাযোগ করা শুরু করেন।

প্রাক্তন বয়ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলায় উদয়ন দাসের মেজাজ খুবই খিটখিটে হয়ে দাঁড়ায়।

১৫ জুলাই আকাঙ্ক্ষা শর্মা'কে শ্বাসরোধ করে হ*ত্যা করেন। তারপরে বাড়ির মধ্যে তাঁর দেহটি ট্রাঙ্কে ঢুকিয়ে ১৪ বস্তুা সিমেন্টের ঢালাই দিয়ে দেব-দেবীর পূজা করা শুরু করে দিয়েছিল।

মৃত্যুর ৬ মাস পর ফেব্রুয়ারী ২০১৭ সালে আকাঙ্ক্ষা শর্মার ফ্যামিলির অভিযোগে ভোপালের সেই দোতলা বাড়ি থেকে উদয়ন দাস'কে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

পরবর্তীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কবর খুঁড়ে মৃতদেহের হাড় সনাক্ত করেন।

সত্যতা প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত ২০২০ সালে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করেন।

#এমন মর্মান্তিক ও নৃশংস কাহিনী পেতে সবাই লাইক, কমেন্ট, শেয়ার এবং পেজ-টি ফলো করে সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ

Author: M A Salam Sumon

 #প্লট: ভারতে প্রেমিকাকে খু*ন করে দেহ ট্রাঙ্কে ঢুকিয়ে সিমেন্ট ঢালাই করে ফেলেছিল 'উদয়ন দাস' নামের এক সিরিয়াল কিলার। শুধু ...
11/05/2023

#প্লট: ভারতে প্রেমিকাকে খু*ন করে দেহ ট্রাঙ্কে ঢুকিয়ে সিমেন্ট ঢালাই করে ফেলেছিল 'উদয়ন দাস' নামের এক সিরিয়াল কিলার। শুধু তাই নয়, দেহের উপর সিমেন্টের বেদী বানিয়ে তাতে দেব-দেবীর পূজা করাও শুরু করে দিয়েছিল। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আরও ভয়ংকর তথ্য বেরিয়ে আসে- সে এর আগে বাবা-মাকেও একই কায়দায় খু*ন করে দেহ পুঁতে ফেলেছিল...কিন্তু কেন??

#বিস্তারিত জানতে লাইক কমেন্ট এবং ফলো করে সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ

Author: M A Salam Sumon

   (Last)ক্যামেরা এবং ফোন নিয়ে ইনভেস্টিগেশন শুরু করার পর জানা গেল! তারা নিখোঁজ হওয়ার ১০ দিন পর পর্যন্ত তাদের ফোন এক্টিভে...
11/05/2023


(Last)

ক্যামেরা এবং ফোন নিয়ে ইনভেস্টিগেশন শুরু করার পর জানা গেল! তারা নিখোঁজ হওয়ার ১০ দিন পর পর্যন্ত তাদের ফোন এক্টিভেট ছিল। শুরুতে তারা ১১২ এবং ৯১১ ইমার্জেন্সি নাম্বারে কল দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করে, কিন্তু এত গহীন জঙ্গলে সিগন্যাল না থাকায় বারবার তারা যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়। তারা মোট ৭৭ বার যোগাযোগের চেষ্টা করছিল। কিছুকিছু কল তারা হাইকিং শুরুর কয়েকঘন্টার মধ্যেই করেছিল, কিন্তু নেটওয়ার্ক না থাকায় কানেক্ট হয়নি। এটি এমন একটি দুর্দান্ত গন্তব্য যেখানে ঘন কুয়াশা এবং কুয়াশাচ্ছন্ন মেঘ প্রায়শই গাছপালাকে ঢেকে রাখে। এছাড়া চারদিক ঘন জঙ্গলে পাহাড় পর্বতে বিস্তৃত।

০১ এপ্রিল তারা যাত্রা শুরু করেছিল। এরিমধ্যেই ০৫ এপ্রিল লিসানের ফোন সুইচ অফ হয়ে যায়। এরপর থেকে লিসানের ফোন আর অন করা হয়নি।

ক্রিসের ফোন ০৬ এপ্রিল পর্যন্ত ইমার্জেন্সি কল করার জন্য অন ছিল। ৭-১০ এপ্রিল পর্যন্ত ক্রিসের ফোন সুইচ অফ দেখাচ্ছিলো।

তারপর ১১ এপ্রিল ক্রিসের ফোন কিছুক্ষণের জন্য অন করা হয়েছিল। এরপর থেকে তার ফোনও বন্ধ হয়ে যায়।

তবে এই ৭৭ বার ইমার্জেন্সি কলের মধ্যে মাত্র একবার কানেক্ট হয়েছিল তাও দু সেকেন্ডের জন্য। এছাড়া ০৬ এপ্রিলের পর ক্রিসের ফোন থেকে কেউ যেনো বারবার ভুল পিন ডায়াল করে আনলক করার চেষ্টা করছিল। কিন্তু কে সে?? বিশেষজ্ঞের মতে, সেদিন হয়তো ক্রিসের কিছু একটা হয়েছিল। যার জন্য লিসান বারবার ভুল পিন ডায়াল করে ক্রিসের ফোন আনলক করতে চেয়েছে। চিন্তার বিষয় হচ্ছে, সেসময় ক্রিস কোথায় ছিল? সত্যিই কি ক্রিসের দূর্ঘটনা হয়েছিল। যা আজও রহস্যময়।

গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্ট হচ্ছে, যেকোনো ইমার্জেন্সি নাম্বার ৯১১ বা ১১২ এগুলোতে কল করার জন্য ফোন আনলক করার প্রয়োজন হয়না। তাহলে লিসান বারবার কেন ফোন আনলক করার চেষ্টা করছিল?? হয়তো ইমার্জেন্সি নাম্বারের জায়গায় লিসান তার ফ্যামিলির সাথে যোগাযোগ করতে চেয়েছিল, নয়তো সে ব্যক্তি অন্যকেউ ছিল। তবে ভাবনার বিষয় হলো লিসানের ফোন থেকে আগে কেন ইমার্জেন্সি কল ব্যতিত ফ্যামিলির সাথে কন্টাক্ট করার চেষ্টা করা হয়নি। যদি ক্রিস এবং লিসান ব্যতিত অন্যকেউ ফোন আনলক করার চেষ্টা করে, তাহলে সে মুহুর্তে ক্রিস এবং লিসান কই ছিল??

ক্যামেরা এবং ফোন ইনভেস্টিগেশন করার পর আরও জানা যায়, তাদের মোট ১৩৩ টি ছবি তোলা হয়েছিল। কিছু ছবি এপ্রিলের শুরুতে তোলা হয়, যেগুলো একদম নরমাল ছিল। তারপর থেকে ৭ দিন ধরে আর ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়নি। ০৮ এপ্রিল প্রায় ৯০ টির মতো ছবি তোলা হয়। এই ছবিগুলো রাত ১-৪ টার মধ্যে তোলা হয়েছে। যেখানে কিছু ছবি বড়ই অদ্ভুত ও রহস্যময় ছিল।

অস্বাভাবিক ক্যামেরা এঙ্গেল ও ফ্ল্যাশ লাইট জ্বালিয়ে তোলা ছবিগুলো দেখে যে কারো মনে প্রশ্ন আসতে পারে। কেন তোলা হয়েছে এসব ছবি??

৮ এপ্রিল তোলা একটি ছবি ছিল বেশ আজব। এটি ছিল ক্রিসের মাথার একটি 'ক্লোজ শট'। ক্লোজ শট বলতে বোঝায় মাথা থেকে বুক বা কোমর পর্যন্ত গৃহীত শটকে।

ক্রিসের চুলগুলো দেখে মনে হচ্ছে শুকনো এবং গোছালো। সপ্তাহ খানেক ধরে নিখোঁজ হওয়া কারো চুল এরকম গোছালো হওয়ার প্রশ্নই আসেনা। তাছাড়া ক্রিসের মাথার এই ছবিগুলো কে তুললো? লিসান নাকি অন্যকেউ?? ছবিতে বোঝার কোন উপায় নেই। সে তখন জীবিত নাকি মৃত!

সময়টা ১৯ জুন ২০১৪। লিসানের নীল ব্যাগ পাওয়ার পর আবারও ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। আবিষ্কার করা হয় আশেপাশে ছড়ানো ছিটানো অবস্থায় ৩৩ টি হাড়, দু'জনের একটি করে দুটো জুতা (লিসানের জুতার ভেতর তার পায়ের পাতাও ছিল) ও একটি ভাঙ্গা পেলভিস (কোমরের হাড়)। ফরেনসিক রিপোর্টে জানা গেল ওটা ছিল মূলত ক্রিসের পেলভিস। পেলভিস হলো বৃক্কের হাইলাসে অবস্থিত একটি গহ্বর।

এছাড়া যে হাড়গুলো পাওয়া গিয়েছিল সেগুলো বেশির ভাগই ছিল পায়ের। লিসানের হাড়ে মাংস ও চামড়া লেগে থাকলেও ক্রিসের হাড় ছিল একেবারেই পরিস্কার ও মাংস/চামড়া বিহীন। হাড়ে কোনো প্রকার রক্তের চিহ্ন বা কাটা-ছেঁ*ড়া ও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। কেউ তাদেরকে খু*ন করছে এরকম কোনো প্রমাণও মিলেনি।

অবশেষে পুলিশ ব্যাখ্যা দিলেন যে- তারা পাহাড় থেকে নদীতে পড়ে গেছে। উপর থেকে পড়ার কারণে তাদের হাড়গোড় ভেঙে গেছে। আঘাতের সাথে খাদ্য ও পানির সংকটের কারণে তারা আর বাঁচতে পারেনি। কেসটা এখানেই ক্লোজ করে দেয়া হয়।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, তারা যেখান থেকে হারিয়ে যায় সেখান থেকে ১৭০ কি.মি দূরের পাহাড়ের উপর ক্রিসের পোশাক পাওয়া যায়। ওখানে হেঁটে ফিরে আসতে যেকোনো স্বাভাবিক মানুষের কমপক্ষে ১০ দিন লাগার কথা, সেখানে বিনা খাবারেও ছোট ১ বোতল পানি নিয়ে ওখানে তার যাওয়ার প্রশ্নই আসেনা।

আমার মতে (অনুমান): হাইকিং শুরুর কয়েকদিন পরই ক্রিসের পায়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। সেজন্য তারা বারবার ইমার্জেন্সি নাম্বারে কল দিয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছিল। কিন্তু সিগন্যাল না পেয়ে অধিক মাত্রাতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে ক্রিসের মৃত্যু হয়। এমন মুহূর্তে লিসানের ফোন বন্ধ হয়ে যায়। হয়তো ফোনে পর্যাপ্ত চার্জ ছিল না। সেজন্য লিসান বারবারই ক্রিসের ফোন থেকে ভুল পিন ডায়াল করে আনলক করার চেষ্টা করে, কিন্তু সফল হয়নি। তারপর না হয় পথ ভুলে যাওয়ায় খাদ্য সংকটের কারণে লিসানেরও মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া তাদের ইনভেস্টিগেশনে যথেষ্ট দূর্বলতা ছিল। না হয় খুব সহজে সত্যতা উন্মোচন করা সম্ভব হতো। আপাতত এতটুকুই। এরপর যদি কোন ক্লো মিলে তাহলে অবশ্যই আমি আপনাদের জানানোর চেষ্টা করবো।

#সবাই লাইক কমেন্ট এবং আমার পেজ-টি ফলো করে সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ

Author: M A Salam Sumon

 #সময়টা ০১ এপ্রিল ২০১৪। পানামার জঙ্গলে ঘুরতে গিয়ে দুই তরুণী খুবই রহস্যজনকভাবে হারিয়ে যায়। সেদিনের পর থেকে তারা আর কখনোই ...
10/05/2023

#সময়টা ০১ এপ্রিল ২০১৪। পানামার জঙ্গলে ঘুরতে গিয়ে দুই তরুণী খুবই রহস্যজনকভাবে হারিয়ে যায়। সেদিনের পর থেকে তারা আর কখনোই ফিরে আসেনি। কিন্তু কেন? পরবর্তীতে তাদের মৃতদেহের হাড় পাওয়া যায়। যা আজও রহস্যময়!

এই কাহিনীটি 'ক্রিস ক্রিমার' এবং 'লিসান ফ্রুন' নামের দু'টি ডাচ তরুণীকে কেন্দ্র করে নির্মিত। ক্রিসের বয়স ২১ বছর, অন্যদিকে লিসানের বয়স ২২ বছর। বলতে গেলে দু'জন খুবই ক্লোজ ফ্রেন্ড।

[নেদারল্যান্ডসবাসীরা নিজেদেরকে 'নেদারল্যান্ডস' বলে পরিচয় দেয়। কিন্তু ইংরেজরা তাদের 'ডাচ' নামে সম্মোধন করে]

২০১৪ সালে ক্রিসের গ্রাজুয়েশন সম্পূর্ণ হলে সে তার বান্ধবী লিসান'কে নিয়ে পানামায় ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। পানামা হচ্ছে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের দক্ষিণাংশের একটি রাষ্ট্র। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল কিছুটা সুন্দর সময় কাটানো। তার পাশাপাশি স্প্যানিশ ভাষাটা ভালোভাবে চর্চা করা এবং সেচ্ছাসেবী হিসাবে কাজ করা।

অবশেষে ২০১৪ সালের ১৫ মার্চ তারা দু'জন পানামায় পৌঁছে পড়ে। সেখানে তারা দু-সপ্তাহ ঘুরাঘুরির পর ২৯ মার্চ তাদের গন্তব্যস্থল বুকেট ( Bouquet) এ একটি স্থানীয় বাড়িতে অবস্থান নেয়। তারা সিন্ধান্ত নিলো এই জায়গায় একমাস অবস্থান করবে, ততদিন তারা বাচ্চাদের সাথে সেচ্ছাসেবীদের কাজে নিয়োজিত থাকবে।

সময়টা ০১ এপ্রিল ২০১৪। সকাল এগারোটার দিকে তারা শহরের কাছে ঘন জঙ্গলে আবৃত 'লা পিয়ানিস্তা ট্রেইল' (La Pianista trail) এ যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। বলতে গেলে, বুকেট থেকে ৪ কিলোমিটার দূরত্ব। তাদের সাথে ছিলো অবস্থানকৃত বাড়ির এক পোষা কুকুর। সেদিনই তাদেরকে শেষবারের মতো জীবিত দেখা গিয়েছিল। এরপর আর দেখা যায়নি।

রাতের বেলায় যখন কুকুরটি বাড়িতে একা ফিরে আসে তখন সেই বাড়ির লোকজনের কাছে সন্দেহ হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। প্রথমে বিষয়টি তারা খুবই হালকাভাবে নিয়েছিল। তার একদিন পর ৩ এপ্রিল স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

এপ্রিলের ৬ তারিখের মধ্যে তাদের পিতামাতা নেদারল্যান্ডস থেকে পানামায় এসে পৌঁছায়। পুরো জঙ্গল তন্নতন্ন করে খোঁজা হয়। পুলিশ, গোয়েন্দা এবং ডগ স্কোয়াড ১০ দিন ধরে সেখানে অভিযান চালায়। কিন্তু তাদের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মনে হচ্ছে তারা হাওয়ায় মিশে গেছে। ক্রিস এবং লিসানের পিতামাতা খোঁজ-দাতাদের জন্য ত্রিশ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেন।

১৪ জুন ২০১৪। স্থানীয় এক মহিলা নদীর তীরে একটি নীল ব্যাগ খুঁজে পান। পুলিশ ব্যাগটি সার্চ করে, ব্যাগ থেকে যা কিছু পাওয়া যায় তাতে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়।

ব্যাগটি ছিল মূলত লিসানের। ব্যাগ থেকে তার পাসপোর্ট, দু জোড়া সানগ্লাস, দু'টি ব্রা, ৮৩ ডলার ক্যাশ, ক্যামেরা, পানির বোতল এবং অক্ষত অবস্থায় দু'জনের মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হলো ব্যাগটি নদীর তীরে পাওয়া গেলেও সেটি ছিল সম্পূর্ণ শুকনো। দেখে মনে হচ্ছে, কেউ যত্ন করে এতদিন রেখে দিয়েছিল।

ক্যামেরা এবং ফোন নিয়ে ইনভেস্টিগেশন শুরু করার পর অনুসন্ধানে যা বেরিয়ে আসে তা সত্যিই চমকে দেওয়ার মতো তথ্য...

চলবে...???




#নেক্সট পর্ব খুব শীঘ্রই পেতে লাইক কমেন্ট এবং আমার পেজ-টি ফলো করে সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ

Author: M A Salam Sumon

Address

Dhaka

Telephone

+8801722936088

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Movie sumon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category