ღ বিদ্রোহ কন্ঠ ღ

ღ বিদ্রোহ কন্ঠ ღ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ღ বিদ্রোহ কন্ঠ ღ, Cinema, dhaka Narayanganj demra, Dhaka.

গণহত্যা বলতে সাধারণত আমরা বুঝি বোমা, গুলি, ধ্বংসস্তূপ।কিন্তু একটা জাতিকে নিশ্চিহ্ন করার আরেকটা পথও আছে, যেটা চোখে সহজে প...
25/08/2026

গণহত্যা বলতে সাধারণত আমরা বুঝি বোমা, গুলি, ধ্বংসস্তূপ।

কিন্তু একটা জাতিকে নিশ্চিহ্ন করার আরেকটা পথও আছে, যেটা চোখে সহজে পড়ে না। সেটা হলো, তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মটাকেই আসতে না দেওয়া।

গাজায় ঠিক এই দ্বিতীয় পথটাও একসাথে চলছে বলে দাবি করেছেন গবেষক মেহমেত রাকিপওগলু।

তিনি এটাকে নাম দিয়েছেন "প্রজনন গণহত্যা" বা "রিপ্রোসাইড"।

সহজ ভাষায় বললে, এর মানে হলো, একটা জনগোষ্ঠীর সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা, মায়ের স্বাস্থ্য, আর নতুন প্রজন্মের বেঁচে থাকার সুযোগটাকেই পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দেওয়া।

এই ধ্বংসযজ্ঞ দাঁড়িয়ে আছে তিনটা স্তম্ভের ওপর।

এক, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ধ্বংস করা। দুই, পরিবেশকে বিষাক্ত করে তোলা। তিন, যৌন সহিংসতার মাধ্যমে মানুষের শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।

একে একে দেখা যাক, প্রতিটা স্তম্ভ আসলে কী বলছে।

প্রথম স্তম্ভ—মাতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু বানানো।

গাজায় দীর্ঘদিন ধরেই অবরোধ চলছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর মাতৃস্বাস্থ্য অবকাঠামোর ওপর হামলা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি হয়েছে।

সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাটা ঘটে আল-বাসমা নামের একটা আইভিএফ (কৃত্রিম প্রজনন) কেন্দ্রে। সেই একটামাত্র হামলায় নষ্ট হয়ে যায় প্রায় চার হাজার ভ্রূণ, আর এক হাজারেরও বেশি শুক্রাণু-ডিম্বাণুর নমুনা।

এটা নিছক একটা চিকিৎসাকেন্দ্র ধ্বংস হওয়া না। এটা একটা প্রতীক—ভবিষ্যতের যে সম্ভাবনাগুলো এখনো জন্মই নেয়নি, সেগুলোকেও মুছে দেওয়া।

একই সময়ে গাজার প্রসূতি হাসপাতাল, নবজাতকদের বিশেষ পরিচর্যা কেন্দ্র, নারী স্বাস্থ্যক্লিনিক, সবকিছু একে একে অকেজো হয়ে পড়ে। ফল দাঁড়ায় ভয়াবহ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য বলছে, গাজায় প্রতিদিন প্রায় ১৮০ জন নারী সন্তান জন্ম দেন, তাঁদের অন্তত ১৫ শতাংশই গুরুতর জটিলতায় পড়েন। অথচ অজ্ঞান করার ওষুধ, রক্ত দেওয়ার সরঞ্জাম, নবজাতকের ইনকিউবেটর—এসব মৌলিক জিনিসই প্রায় শেষ হয়ে গেছে, বা অবরোধের কারণে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব।

কিছু নারীকে অজ্ঞান করার ওষুধ ছাড়াই সিজারিয়ান অপারেশন করতে হয়েছে। কারও কারও জীবন বাঁচাতে জরায়ুই ফেলে দিতে হয়েছে, মানে তাঁরা চিরদিনের জন্য সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা হারিয়েছেন।

এটাকে শুধু চিকিৎসা-বিপর্যয় বললে ভুল হবে। এটা একটা নিয়ন্ত্রণ-ব্যবস্থা, যেখানে দখলদার শক্তি কার্যত ঠিক করে দিচ্ছে কে সন্তান জন্ম দেবে, কখন দেবে, নাকি আদৌ দেবে না।

দ্বিতীয়

ধর্ষকের বিচার এমন হওয়া উচিত  যেনো আর কনো কুলাংগার এমন কাজ করতে না পারে আপনি কি একমত❓কমেন্ট এ বলে যান ✅
25/08/2026

ধর্ষকের বিচার এমন হওয়া উচিত যেনো আর কনো কুলাংগার এমন কাজ করতে না পারে আপনি কি একমত❓কমেন্ট এ বলে যান ✅

ইয়াসমিন হত্যার ৩১ তম বাষির্কী আজএকটি ধর্ষণ, যা নাড়িয়ে দিয়েছিলো সরকারের গদি...গোটা দিনাজপুর কেঁপে উঠেছিল, কাঁপিয়েছিল গোটা...
25/08/2026

ইয়াসমিন হত্যার ৩১ তম বাষির্কী আজ
একটি ধর্ষণ, যা নাড়িয়ে দিয়েছিলো সরকারের গদি...

গোটা দিনাজপুর কেঁপে উঠেছিল, কাঁপিয়েছিল গোটা দেশকে, এক কিশোরীর হত্যাকান্ড৷ একজনের হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে প্রাণ দিয়েছিল আরও ৭ জন৷ তরুণ প্রজন্ম হয়তো জানে না, কি ছিল সেই দিনগুলো৷ তাদের জন্য :

১৯৯৫ সালের ২৩শে অগাস্ট দিবাগত রাত। ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া একটি বাসে করে দিনাজপুরের দশমাইল মোড় এলাকায় নামে ইয়াসমিন আক্তার নামে এক কিশোরী। তার বয়স আনুমানিক ১৬ বছর। ইয়াসমিন আক্তার ঢাকার ধানমন্ডির একটি বাড়িতে গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজ করতো।

সে সময় টহল পুলিশের একটি ভ্যান সেখানে হাজির হয়। স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি মেয়েটিকে পরামর্শ দেয় যে পুলিশের গাড়িতে করে দিনাজপুর শহরে যেতে।

কিন্তু পুলিশের ভ্যানে করে সেই কিশোরী দিনাজপুর শহরে যেতে রাজী ছিলেন না। তখন পুলিশ সদস্যরা বলেন যে এতো রাতে তার সেখানে একা থাকা নিরাপদ নয়।

পুলিশের সেই ভ্যানে ছিলেন একজন এএসআই এবং দুইজন কনস্টেবল।

শেষ পর্যন্ত খানিকটা অনিচ্ছা সত্ত্বেও কিশোরীটি পুলিশের ভ্যানে ওঠেন।

এরপর দিন সকালে কিশোরীটির মৃতদেহ পাওয়া পাওয়া যায় গোবিন্দপুর নামক জায়গায়।

এ খবর ছড়িয়ে গেলে ক্ষোভে-বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে দিনাজপুর।

বিভিন্ন সরকারি অফিসে ভাংচুর চালিয়ে তছনছ করা হয়। দিনাজপুর শহরে কাস্টমস গুদামে মালামাল লুট করে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসেও আক্রমণ করা হয়। পরিস্থিতি এতোটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে দিনাজপুর শহরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বিডিআর মোতায়েন করা হয়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে দিনাজপুর শহরে কারফিউ জারি করা হয়। কিন্তু এই কারফিউকে আমলে নেয়নি সাধারণ মানুষ। কারফিউ উপেক্ষা করেই বিভিন্ন জায়গায় মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।

একপর্যায়ে ঘটনার দুইদিন পরে এলাকাবাসী কোতোয়ালী থানা আক্রমণ করে সারারাত থানা অবরুদ্ধ করে রাখে। সে সময় কোন পুলিশ সদস্য থানা থেকে বের হতে পারেনি।

পরের দিন দিনাজপুর শহরে শতশত মানুষ বিভিন্ন স্থানে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে।

এসময় কয়েকটি জায়গায় পুলিশের সাথে তাদের সংঘর্ষ হয়। বিক্ষোভের মাত্রা এতোটাই তীব্র হয়েছিলে যে পুলিশ মিছিলকারীদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে এবং তাতে ৭ জন নিহত হয়।

নিহত ইয়াসমিন আক্তারের গায়েবানা জানাজায় হাজার-হাজার মানুষ অংশ নেয়।

পুলিশের প্রতি মানুষের ক্ষোভ এতোটাই চরমে ওঠে য

11/08/2026

বিএনপি নেতা মুজিব সহ ৫ জন মিলে গ/ণধ/র্ষ/ণ । এই ধর্ষণ এর বিচার তো আপনারা চাইবেন না যদি দারি টুপি ওয়ালা কেও ধর্ষণ করতো তাহলে সবাই আওয়াজ তুলতেন। কে বি এনপি করে কে জামাত করে এটা পরে অপরাধী তো অপরাধী এই ধর্ষণ মামলার দ্রুত ও কঠিন বিচার আশা করছি প্রশাসনের কাছে এবং আমজনতার কাছে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিবাদ জানানোর জন্য আহবান করছি।





Rahman

#তারেক_রহমান

যার মূল কাজই ছিলো বিয়ে করা, ভুয়া ডাক্তার পরিচয়ে করেছেন একে একে ২৭টি বিয়ে!অনলাইন ডেক্স: ০৭ আগষ্ট ২০২৬বিবাহের মতো পবিত্র...
11/08/2026

যার মূল কাজই ছিলো বিয়ে করা, ভুয়া ডাক্তার পরিচয়ে করেছেন একে একে ২৭টি বিয়ে!

অনলাইন ডেক্স: ০৭ আগষ্ট ২০২৬
বিবাহের মতো পবিত্র সামাজিক ও ধর্মীয় সম্পর্ককে পুঁজি করে চরম প্র'তা'রণা ও অর্থ হাতি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণীর বিরুদ্ধে। একের পর এক ভুয়া পরিচয় ধারণ, কোটি টাকার কাবিননামা তৈরি এবং পরবর্তীতে মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার এক চাঞ্চল্যকর সিন্ডিকেট বা প্রতারণার ফাঁদ উন্মোচিত হয়েছে।

অভিযুক্ত নারীর আসল নাম অনামিকা রায়। তিনি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ এলাকার বাসিন্দা। শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে তিনি কেবল এস.এস.সি পাস এবং নার্সিংয়ের একটি সাধারণ কোর্স সম্পন্ন করেছেন। অথচ শিকারে পরিণত করা ব্যক্তিদের কাছে তিনি নিজেকে পরিচয় দিতেন ‘ডক্টর অনামিকা’ হিসেবে।

তিনি দাবি করতেন— তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করা একজন নামকরা ডাক্তার। তিনি সরকারি উচ্চপদস্থ বিসিএস ক্যাডার। খুব শীঘ্রই উচ্চশিক্ষার (পিএইচডি) উদ্দেশ্যে তিনি যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন।

সনাতন ধর্মাবলম্বী হয়েও তিনি নিজেকে খাঁটি মুসলিম হিসেবে প্রকাশ করতেন। বিশেষ করে সামাজিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত পুরুষদের আকৃষ্ট করতে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণের আবেগঘন ও মিথ্যা গল্প ফাঁদতেন। পরবর্তীতে তিনি ‘ফারিয়া জান্নাত শুভা’ নাম ধারণ করে সহজ-সরল ও সম্ভ্রান্ত পুরুষদের সহানুভূতি ও ভালোবাসা জয় করে নিতেন।

সম্পর্ক তৈরি করার পর অত্যন্ত সুচতুরভাবে বিয়ের নাটক সাজানো হতো। বিয়ের সময় দেনমোহর বা কাবিনের অংক নির্ধারণ করা হতো ১৫ লাখ, ২০ লাখ থেকে শুরু করে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত।

বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই শুরু হতো আসল খেলা:

১. মিথ্যা মামলার ভয় দেখানো: স্বামীকে শারীরিক নির্যাতন, যৌতুক বা বিভিন্ন কাল্পনিক অপরাধের কথা বলে আইনি ও সামাজিক ঝামেলার ভয় দেখানো হতো।

২. অর্থ আদায়: সম্মানহানি ও আইনি ঝামেলা থেকে বাঁচতে ভুক্তভোগী পুরুষেরা নীরবে লাখ লাখ টাকা দিয়ে রফা বা ডিভোর্স করতে বাধ্য হতেন।

৩. সোনা ও নগদ অর্থ চুরি: সুযোগ বুঝে ঘরের জমানো নগদ টাকা এবং সোনার গয়না হাতিয়ে নিয়ে তিনি চম্পট দিতেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা ভুক্তভোগীরা যেন তাকে সহজে ট্র্যাক করতে না পারেন, সেজন্য তিনি চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৩৪টিরও বেশি ভুয়া নিবন্ধিত সিম কার্ড ব্যবহার করতেন। এর বিচার চাই

তাহলে পার্থক্য টা কোথায় রইলো ভাই? সেকালে লীগ রাসূল সা এর সুন্নাত "দাড়ি" নিয়ে টানাটানি করতো আর একালে বিএনপি টানতেছে। তাহল...
11/08/2026

তাহলে পার্থক্য টা কোথায় রইলো ভাই? সেকালে লীগ রাসূল সা এর সুন্নাত "দাড়ি" নিয়ে টানাটানি করতো আর একালে বিএনপি টানতেছে। তাহলে কি পরিবর্তন টা হলো??

সম্প্রতি একটা ভিডিও ভাইরাল হলো যেখানে দেখা যাচ্ছে এক বৃদ্ধের লাল দাড়ি ধরে টানতেছে কিছু লোক। আর তাকে একের পর এক থা'প্পড় দেওয়া হচ্ছে।

দাবি করা হচ্ছে ভুক্তভোগী লোকটির নাম জয়নাল আবেদীন, নোয়াখালির চর জুবিলী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হানিফ চৌধুরীর ছোট ভাই হবার কারণে ম'*বের শিকার হয়েছে বিএনপির স'ন্ত্রাসীদের দ্বারা।

যদি এই দাবি সত্য হয়ে থাকে তাহলে বিএনপি চরম অন্যায় কাজ করেছে। প্রথমতঃ কোন অপরাধীর ভাই বা আত্মীয় হওয়ার কারণে তাকে হেনস্তা করার অধিকার কারোর নাই।

দ্বিতীয়তঃ কেউ অপরাধী হলেও তাকে হেনস্তা করে রাসূল সা এর দাড়ি ধরে টানাহেঁচড়া করার অধিকারও কারোর নাই।

আমি ১০০ বার চাইবো যদি কোন আ.লীগ বা তার কোন আত্মীয় অপরাধ করে তাকে আইনের আওতায় আনা হোক। তাকে ধরে জেলে দেওয়া হোক। আ.লীগ প্রশ্নে কোন ছাড় নাই। কিন্তু তাই বলে রাসূল সা এর সুন্নাত দাড়ি ধরে টানাহেঁচড়া করবেন তা চলবে না।

দ্রুত ঘটনাটি যাচাই করে দাড়ি ধরা টানা লোকগুলো যদি জামায়াতেরও হও কিংবা বিএনপিরও হয়, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হোক। পাশাপাশি দেশকে আ.লীগ মুক্ত করা হোক।

চীনের অভ্যন্তরীণ অঞ্চলে নিয়ে কারখানায় ব**ন্দি রেখে জো**রপূ*র্বক কাজ করানো এক উইঘুর নারী সেখানকার পরিস্থিতি সহ্য করতে ন...
11/08/2026

চীনের অভ্যন্তরীণ অঞ্চলে নিয়ে কারখানায়
ব**ন্দি রেখে জো**রপূ*র্বক কাজ করানো
এক উইঘুর নারী সেখানকার পরিস্থিতি সহ্য করতে না পেরে পা*লি*য়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
এ সময় কারখানার কর্মকর্তারা তাকে ধরে ফেলেন এবং বোনটিকে গরুর মতো পে*টা*তে শুরু করে।

যারা জানেন না তাদের জন্য বলি,
উইঘুরের মুসলিমদেরকে চীনারা ব--ন্দি শিবিরে এবং বিভিন্ন কোম্পানিতে ব--ন্দি রেখে বিনাপারিশ্রমিকে জো**রপূ*র্ব*ক কাজ করতে বাধ্য করে।

এই যে আজ গোটা বিশ্বে দেখতে পান চীনা পণ্যের ছড়াছড়ি,
এসবের পেছনে রয়েছে উইঘুর মুসলিমদের
ঘাম এবং র**ক্ত।
মুসলিমদের র**ক্তের উপর ভর করেই আজ
বিশ্ববাজার নিজেদের দখলে রেখেছে চীন।

এরা একদিকে মুসলিম বিশ্বে বিজনেস করে ট্রিলিয়ন ডলার নিয়ে যাচ্ছে অপরদিকে উইঘুর থেকে মুসলিম এবং ইসলামকে শেষ করে দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছে।
মা**র খেয়ে রুমের এক কোনায় কুঁকড়ে থাকা ছবিটি উইঘুর বোনের।
Copy post 👉 মুসলিম উম্মাহ মিডিয়া

আচ্ছালামুয়ালাইকুম মানবতা আজ কথায় হাসপাতালকে বলা হয় মানুষের জীবন বাঁচানোর ও নিরাপত্তার সবচেয়ে ভরসার জায়গা! কিন্তু সেই সরক...
10/06/2026

আচ্ছালামুয়ালাইকুম
মানবতা আজ কথায়

হাসপাতালকে বলা হয় মানুষের জীবন বাঁচানোর ও নিরাপত্তার সবচেয়ে ভরসার জায়গা! কিন্তু সেই সরকারি হাসপাতালেই যখন অসুস্থ শিশুর মা খোদ স্টাফদের লালসার শিকার হন, তখন দেশের মা-বোনেরা আর কোথায় নিরাপদ থাকবেন?"—সম্প্রতি নাটোর ২৫০ শয্যার জেনারেল হসপিটালে ঘটে যাওয়া এই নজিরবিহীন ও লোমহর্ষক ঘটনাটি পুরো দেশের মানুষের বিবেককে স্তব্ধ করে দিয়েছে। ভুক্তভোগী ওই নারীর নাম রোজিনা।
​ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত ৫ জুন রোজিনা তাঁর দুই বছরের অসুস্থ শিশুকন্যাকে নিয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। ৭ জুন সকাল ১০টার দিকে শিশুর জন্য ওষুধ দেওয়ার মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে, হাসপাতালের স্টাফ পরিচয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অমিত তাঁকে জোরপূর্বক ষষ্ঠ তলায় নিয়ে যান। সেখানে ওত পেতে থাকা অনিল ও প্রাঙ্গণ নামের দুই সহযোগীর সাহায্যে অমিত ওই অসহায় মাকে ধ/র্ষ/ণ করেন এবং পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখেন! এরপর বাকি দুই সহযোগীও একইভাবে তাঁর ওপর পাশবিক নি/র্যা/ত/ন চালায়। শুধু তাই নয়, বিষয়টি কাউকে জানালে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
​এদিকে নিচে অসুস্থ শিশুটি মায়ের জন্য অনবরত কান্না শুরু করলে নার্সরা সিসিটিভি ফুটেজ চেক করেন। ফুটেজে সন্দেহজনক কিছু দেখে হাসপাতালের সাহসী আনসার সদস্যরা দ্রুত ষষ্ঠ তলায় গিয়ে ওই নারীকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করেন। প্রথমে অভিযুক্তরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও আনসার সদস্য মো. সালাউদ্দিনের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় ৩ জনকেই হাতেনাতে ধরে ফেলা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সামনে প্রথমে তারা অস্বীকার করলেও, ভুক্তভোগী রোজিনা নিজে অপরাধীদের ওপর চড়াও হয়ে গর্জে উঠলে তারা নিজেদের জঘন্য অপরাধের কথা স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
আমি প্রশাসন এর কাছে এই ঘটনার কঠিন বিচার আশা করছি!

23/05/2026

ফেমেলি কার্ডের লোভ দেখিয়ে

23/05/2026

গরুখোর ইহু'দীদের পতাকা নিয়ে উন্ম'ত্ত নৃত্য করছে গরু পূজারী হিন্দুরা! এবার বুঝাগেলো আসলেই চাড্ডিদের অবৈধ পিতা ইহু'দীরা!😁

Address

Dhaka Narayanganj Demra
Dhaka
00890

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ღ বিদ্রোহ কন্ঠ ღ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category