10/06/2026
আচ্ছালামুয়ালাইকুম
মানবতা আজ কথায়
হাসপাতালকে বলা হয় মানুষের জীবন বাঁচানোর ও নিরাপত্তার সবচেয়ে ভরসার জায়গা! কিন্তু সেই সরকারি হাসপাতালেই যখন অসুস্থ শিশুর মা খোদ স্টাফদের লালসার শিকার হন, তখন দেশের মা-বোনেরা আর কোথায় নিরাপদ থাকবেন?"—সম্প্রতি নাটোর ২৫০ শয্যার জেনারেল হসপিটালে ঘটে যাওয়া এই নজিরবিহীন ও লোমহর্ষক ঘটনাটি পুরো দেশের মানুষের বিবেককে স্তব্ধ করে দিয়েছে। ভুক্তভোগী ওই নারীর নাম রোজিনা।
ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত ৫ জুন রোজিনা তাঁর দুই বছরের অসুস্থ শিশুকন্যাকে নিয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। ৭ জুন সকাল ১০টার দিকে শিশুর জন্য ওষুধ দেওয়ার মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে, হাসপাতালের স্টাফ পরিচয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অমিত তাঁকে জোরপূর্বক ষষ্ঠ তলায় নিয়ে যান। সেখানে ওত পেতে থাকা অনিল ও প্রাঙ্গণ নামের দুই সহযোগীর সাহায্যে অমিত ওই অসহায় মাকে ধ/র্ষ/ণ করেন এবং পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখেন! এরপর বাকি দুই সহযোগীও একইভাবে তাঁর ওপর পাশবিক নি/র্যা/ত/ন চালায়। শুধু তাই নয়, বিষয়টি কাউকে জানালে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
এদিকে নিচে অসুস্থ শিশুটি মায়ের জন্য অনবরত কান্না শুরু করলে নার্সরা সিসিটিভি ফুটেজ চেক করেন। ফুটেজে সন্দেহজনক কিছু দেখে হাসপাতালের সাহসী আনসার সদস্যরা দ্রুত ষষ্ঠ তলায় গিয়ে ওই নারীকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করেন। প্রথমে অভিযুক্তরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও আনসার সদস্য মো. সালাউদ্দিনের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় ৩ জনকেই হাতেনাতে ধরে ফেলা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সামনে প্রথমে তারা অস্বীকার করলেও, ভুক্তভোগী রোজিনা নিজে অপরাধীদের ওপর চড়াও হয়ে গর্জে উঠলে তারা নিজেদের জঘন্য অপরাধের কথা স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
আমি প্রশাসন এর কাছে এই ঘটনার কঠিন বিচার আশা করছি!