Ghorchara Media Production Ltd.

Ghorchara Media Production Ltd. A Multimedia Production House for making TV Drama, Advertisement, Music Videos, Films and other Media Programs.

23/10/2025

শুভ দুপুর 🥰

23/10/2025

আলহামদুলিল্লাহ 🥰

23/10/2025

কেমন আছেন সবাই 😍

23/10/2025

আসসালামু আলাইকুম 💝

জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল "র‍্যাঙ্কিং বিডি" (Ranking BD) এর জরিপ অনুযায়ী ২০২২ সালে বাংলাদেশের শীর্ষ ৫০ জন আলোচিত তারকা...
31/01/2023

জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল "র‍্যাঙ্কিং বিডি" (Ranking BD) এর জরিপ অনুযায়ী ২০২২ সালে বাংলাদেশের শীর্ষ ৫০ জন আলোচিত তারকা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বের তালিকা প্রকাশ করা হয় যারা ২০২২ জুড়ে সারাবছরই ছিলেন আলোচনায়। তালিকার শীর্ষে আছেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও আলোচিত নায়িকা পরীমনি। দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক শাকিব খান। তৃতীয় অবস্থানে আছেন উদীয়মান চলচ্চিত্র তারকা এবং পরীমনির স্বামী শরিফুল রাজ। চতুর্থ অবস্থানে আছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের সুপারস্টার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। পঞ্চম অবস্থানে আছেন শক্তিশালী অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। র‍্যাঙ্কিং বিডি" (Ranking BD) এর সম্পূর্ণ তালিকাটি নিচে প্রকাশ করা হলোঃ

১. পরীমনি
২. শাকিব খান
৩. শরিফুল রাজ
৪. সাকিব আল হাসান
৫. চঞ্চল চৌধুরী
৬. হিরো আলম
৭. নিপুণ আক্তার
৮. প্রার্থনা ফারদিন দীঘি
৯. সিয়াম আহমেদ
১০. শবনম বুবলি
১১. জায়েদ খান
১২. বিদ্যা সিনহা মীম
১৩. জিয়াউল ফারুক অপূর্ব
১৪. আরেফিন শুভ
১৫. অপু বিশ্বাস
১৬. মাহিয়া মাহি
১৭. অনন্ত জলিল
১৮. দিলারা হানিফ পূর্ণিমা
১৯. শায়ান চৌধুরী অর্ণব
২০. মোশাররফ করিম
২১. আরিফা পারভিন জামান মৌসুমি
২২. আফরান নিশো
২৩. জিয়াউল হক পলাশ
২৪. আজমেরি হক বাঁধন
২৫. পূঁজা চেরি
২৬. ইলিয়াস কাঞ্চন
২৭. রিয়াজ আহমেদ
২৮. মাশরাফি বিন মর্তুজা
২৯. জয়া আহসান
৩০. মারজুক রাসেল
৩১. মিশা সওদাগর
৩২. তাহসান খান
৩৩. মেহজাবিন
৩৪. মুশফিক আর ফারহান
৩৫. রায়হান রাফি
৩৬. লিটন দাস
৩৭. হানিফ সংকেত
৩৮. তাসকিন রহমান
৩৯. শাহরিয়ার নাজিম জয়
৪০. নাসিরুদ্দিন খান
৪১. মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
৪২. মীর সাব্বির
৪৩. তাসনিয়া ফারিন
৪৪. কাজল আরেফিন অমি
৪৫. প্রীতম হাসান
৪৬. নুহাশ হুমায়ূন
৪৭. তানজিন তিশা
৪৮. তৌসিফ মাহবুব
৪৯. খাদিজা পারভীন বর্ষা
৫০. রাফিয়াত রশিদ মিথিলা

© Ranking BD & Ghorchara Media Production Ltd.

নন্দিত নরকে (২০০৬)হুমায়ূন আহমেদের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস নন্দিত নরকে অবলম্বনে  বেলাল আহমেদ  নির্মাণ করেন নন্দিত নরকে নাম...
31/01/2023

নন্দিত নরকে (২০০৬)
হুমায়ূন আহমেদের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস নন্দিত নরকে অবলম্বনে বেলাল আহমেদ নির্মাণ করেন নন্দিত নরকে নামের চলচ্চিত্র। একটি মেন্টালি চ্যালেঞ্জড্ মেয়ের জীবনে ঘটে যাওয়া ভয়ঙ্কর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘরে উঠেছে এর গল্প। মেন্টালি চ্যালেঞ্জড্ মেয়ের চরিত্রে সুমনা সোমা দারুন অভিনয় করেছেন। এ ছবিতে আরো ছিলেন ফেরদৌস, শিমুল, লিটু আনাম প্রমুখ।

সংগৃহীত

মৃত্যুবার্ষিকী - ৩০ জানুয়ারি - জহির রায়হান :-----------------------------------------------------------অনন্য জহির রায়হান...
31/01/2023

মৃত্যুবার্ষিকী - ৩০ জানুয়ারি - জহির রায়হান :
-----------------------------------------------------------

অনন্য জহির রায়হান
*******************

তিনি অনন্য, তিনি একজনই, তিনি জহির রায়হান...♥

বাংলাদেশের সাহিত্য, চলচ্চিত্রে জহির রায়হান একটি গর্বিত নাম। তাঁর নামটি আসলেই কালজয়ী একটা ইমেজ চোখের সামনে ভাসে। আমাদের সাংস্কৃতিক জগতে প্রায়ই বৈশ্বিক মান নিয়ে যে কথা ওঠে সেখানে একজন জহির রায়হান অনায়াসে চলে আসে। তাঁর কাজ বৈশ্বিক মান বজায় রেখেই কালজয়ী হয়েছে।

মূলনাম মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ। জন্ম ১৯ আগস্ট ১৯৩৫, ফেনী জেলায়। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর ১৯৭২ সালের বুদ্ধিজীবী হত্যার সময় ৩০ জানুয়ারি বড়ভাই শহীদুল্লাহ কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে নিখোঁজ হন তিনি। প্রথম স্ত্রী অভিনেত্রী সুমিতা দেবী এবং দ্বিতীয় স্ত্রী অভিনেত্রী সুচন্দা। সন্তান অনল রায়হান, বিপুল রায়হান এবং তপু রায়হান। তপু রায়হান তাঁর মা সুচন্দার পরিচালনায় 'সবুজ কোট কালো চশমা' এবং রায়হান মুজিবের পরিচালনায় 'প্রেমপ্রীতি' ছবিতে অভিনয় করেছে।

জহির রায়হান সাহিত্যিক ও নির্মাতা। তাঁর দুটি সত্তাই স্বতন্ত্রভাবে উজ্জ্বল। সাহিত্যচর্চার অংশ হিসেবে তিনি রচনা করেছেন কালজয়ী উপন্যাস 'হাজার বছর ধরে।' অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস 'আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী, শেষ বিকেলের মেয়ে, তৃষ্ণা, আর কতদিন, একুশে ফেব্রুয়ারি।' গল্পের মধ্যে 'সময়ের প্রয়োজনে, একুশের গল্প, কয়েকটি সংলাপ, বাঁধ, সোনার হরিণ' নামকরা। তাঁর উপন্যাস 'হাজার বছর ধরে' অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন তাঁরই সহধর্মিণী সুচন্দা।

জহির রায়হান নিজেও কালজয়ী সব ছবি নির্মাণ করেছেন যার মধ্যে 'জীবন থেকে নেয়া' (১৯৭০) বিখ্যাত ছবি। এছাড়া 'কখনো আসেনি (১৯৬১), বেহুলা (১৯৬৬), কাঁচের দেয়াল (১৯৬৩), স্টপ জেনোসাইড (১৯৭১), লেট দেয়ার বি লাইট (১৯৭০), এ স্টেট ইজ বর্ন (১৯৭১) এগুলো অমর সৃষ্টি। অন্যান্য ছবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য 'সোনার কাজল (১৯৬২), আনোয়ারা (১৯৬৭), সুয়োরাণী দুয়োরাণী ( ১৯৬৮), দুই ভাই (১৯৬৮), বার্থ অফ এ নেশন (১৯৭১)।' উর্দু ছবির মধ্যে 'সঙ্গম, বাহানা' উল্লেখযোগ্য। সহকারী পরিচালক হিসেবে ছিলেন 'এদেশ তোমার আমার, জাগো হুয়া সাভেরা, যে নদী মরুপথে' প্রভৃতি ছবিতে।

'জীবন থেকে নেয়া' তাঁর শ্রেষ্ঠ ছবি। একটি চাবির গোছাকে প্রতীকী করে তৎকালীন পরাধীনতাকে তুলে ধরেছেন যা ছিল পাকিস্তান আমলে সাহসী একটি কাজ। এ ছবির জন্য তাঁকে অনেক চাপও সহ্য করতে হয়েছিল। ছবিতে বাড়িটি ছিল রাষ্ট্রীয় প্রতীকে, রওশন জামিলের চরিত্রটি ছিল স্বৈরশাসকের প্রতীকে, তাঁর বিরুদ্ধে ঘরোয়া প্রতিবাদে খান আতাউর রহমানের 'এ খাঁচা ভাঙব আমি কেমন করে' গানটি ছিল স্বাধীনতার চেতনা এবং রাজ্জাক, শওকত আকবরদের সম্মিলিত প্রতিবাদ ছিল আপামর জনমতের প্রতীক যারা সবাই স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি চায়। অসাধারণ একটি ছবি ছিল। 'কখনো আসেনি' কালজয়ী ছবি। এ ছবিতে অনেক আগের একটি গল্পকে পরবর্তী সময়ে তুলে ধরা হয়েছে। সুন্দরী এক মেয়ে যাকে পাথরের মূর্তির মতো করে রাখতে চেয়েছিলেন যাদুঘরের মালিক। সেই মেয়েই ছবির নায়িকা সুমিতা দেবী যার প্রেমের পরিণতিতে তাকে মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল এবং তাঁকে বাঁচাতে পরবর্তীতে কেউ আসেনি। করুণ এ গল্পকে যেন শিল্পীর তুলিতে এঁকেছেন জহির রায়হান। 'বেহুলা' মঙ্গলকাব্যের অন্তর্ভুক্ত মনসামঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত বেহুলা-লখিন্দর কাহিনী নিয়ে নির্মিত। রাজ্জাক-সুচন্দা জুটির সেরা ছবি বলা যায়। 'কাঁচের দেয়াল' ছবিতে সংসারে নির্যাতন সহ্য করা একটি মেয়ের গল্প এসেছে যার ভাগ্যে লটারি জোটে এবং তারপর তার আদর-যত্ন বেড়ে যায়। লটারি মিথ্যে প্রমাণিত হওয়াতে আবার নির্যাতন বাড়ে তখন মেয়েটি বাড়ির কাঁচের দেয়াল ভেঙে বেরিয়ে যায় স্বাধীনতার জন্য। 'আনোয়ারা' ছবিটি নজিবর রহমান সাহিত্যরত্নের উপন্যাস থেকে নির্মিত এবং রাজ্জাক-সুচন্দা জুটির অন্যতম ছবি। 'দুই ভাই' অমনিবাস চলচ্চিত্র। 'স্টপ জেনোসাইড, এ স্টেট ইজ বর্ন' মুক্তিযুদ্ধের দলিল।

জহির রায়হান সাহিত্যে 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসের জন্য আদমজী সাহিত্য পুরস্কার পান। এছাড়া ১৯৭২ সালে মরণোত্তর বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৭৭ সালে মরণোত্তর একুশে পদক এবং ১৯৯২ সালে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পান। চলচ্চিত্রে অনেক পুরস্কার পেয়েছেন যার মধ্যে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ নিগার পুরস্কার ছিল। ২০০৫ সালে 'হাজার বছর ধরে' ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ কাহিনীকারে মরণোত্তর পুরস্কার পান।

একজন জহির রায়হান এভাবেই বাংলাদেশী ইতিহাস, সংস্কৃতি থেকে উঠে আসা শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাঁকে নিয়ে যত কাজ হবে, আলোচনা হবে আমরা ততই সমৃদ্ধ হবো এবং আগামী প্রজন্ম আরো বেশি গর্বিত বোধ করবে আর বলবে আমাদের একজন জহির রায়হান ছিলেন।

সংগৃহীত

বাংলাদেশে 'পাঠান' এর রিমেক "পাঁঠা" নির্মিত হলে নায়ক হিসেবে জায়েদ খানকে দাবি করবো 😂
31/01/2023

বাংলাদেশে 'পাঠান' এর রিমেক "পাঁঠা" নির্মিত হলে নায়ক হিসেবে জায়েদ খানকে দাবি করবো 😂

আপিল বোর্ড থেকে শনিবার বিকেল মুক্তির জন্য রায় দিলেও এখনো সেন্সর বোর্ড থেকে রিলিজের অফিসিয়াল চিঠি দিচ্ছেনা। যারফলে এটি মু...
31/01/2023

আপিল বোর্ড থেকে শনিবার বিকেল মুক্তির জন্য রায় দিলেও এখনো সেন্সর বোর্ড থেকে রিলিজের অফিসিয়াল চিঠি দিচ্ছেনা। যারফলে এটি মুক্তির জন্য কার্যক্রম শুরু করতে পারছেনা শনিবার বিকেল টিম। অথচ বলিউড সিনেমা ফারাজের আগেই বা অন্তত একই দিনে শনিবার বিকেল মুক্তির দাবি এই সিনেমা সংশ্লিষ্ট লোকজন সহ বেশিরভাগ বাংলাদেশি সিনেমাপ্রেমীদের। সেন্সর বোর্ড কি চাচ্ছে বা কার ইশারাতে এরকম করতেছে সেটাই বুঝা যাচ্ছে না।

সাম্প্রতিক সময়ে অতি আলোচিত বিষয় বাংলাদেশে হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্র আমদানি ও প্রদর্শন করা। এই সমস্যাটার উৎপত্তি মূলত ১৯৬৫ স...
31/01/2023

সাম্প্রতিক সময়ে অতি আলোচিত বিষয় বাংলাদেশে হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্র আমদানি ও প্রদর্শন করা। এই সমস্যাটার উৎপত্তি মূলত ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের সময়ে। তৎকালীন দুই পাকিস্তানেই একযোগে ভারতীয় সিনেমা প্রদর্শন বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর দেশ স্বাধীন হলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু তখনকার বাস্তবতায় একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেন। যুদ্ধ বিদ্ধস্ত বাংলাদেশের চলচ্চিত্র কোনভাবেই ভারতের সাথে পাল্লা দিতে পারবে না বুঝেই তিনি বাংলাদেশে তখন ভারতীয় সিনেমা আমদানি বন্ধের আদেশ বহাল রাখেন। অর্থনীতির ভাষায় একে বলে "প্রটেকশন অফ ইনফ্যান্ট ইনডাস্ট্রি" নীতি।
এই পলিসি অর্থনীতিতে খুব কমন। ডাম্পিং বা ট্যারিফ ধার্য্য করেও অনেক ক্ষেত্রে এই পলিসি বাস্তবায়ন করে। যেমন: ধরি বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভাবে গাড়ি উৎপাদন শুরু হল। টয়োটা কোম্পানি তাদের কারখানা স্থাপন করল। সাথে শুরু করল ওয়ালটন। তখন দেশীয় কোম্পানি ওয়ালটনকে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটার সাথে পাল্লা দিতে সুবিধা দেয়ার জন্য সরকার বিদেশি কোম্পানি হিসাবে টয়োটার উপরে কিছু কর বা পলিসির বোঝা চাপিয়ে দিয়ে টয়োটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এটাই "প্রটেকশন" নীতিমালা।

বাংলাদেশ এর চলচ্চিত্র শিল্প এই সুবিধা পাচ্ছে গত ৫৩ বছর ধরে। তো একটা কথা বলে যে, "দান গ্রহণ করতেও যোগ্যতা লাগে"। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের সেই যোগ্যতা ও নেই। আশির দশকে বাংলাদেশের প্রযোজক- পরিচালকরা টেপ রেকর্ডার নিয়ে ভারতে যেতেন। সিনেমা হলে যেয়ে হিন্দি সিনেমা পুরোটা রেকর্ড করে এনে বাংলাদেশে এসে 'বমি' করতেন বাংলা ভাষান্তর করে। আমাদের কথিত যত লিজেন্ড আছে চলচ্চিত্র শিল্পের সবই এই প্রডাক্ট। তাই আমাদের সব কালজয়ী নায়ক নায়িকার সিনেমা, বিখ্যাত গান, যেগুলো দেখে আমরা ভাবতাম "ইশ! আমাদের চলচ্চিত্রের সোনালী যুগ ছিল.." সেগুলো সবই আসলে চোরাই মাল। মেধার চর্চা ছিল না বললেই চলে।

ভিসিআর ও স্যাটেলাইট টিভির যুগে এসে আমাদের লিজেন্ড চোরগুলোর চুরি ধরা পড়তে শুরু করে। তখন দুইটা জিনিস শুরু হয়। এক: সিনেমা বাদ, অশ্লীলতা বিক্রি শুরু হয়। দুই: তামিল তেলেগু বা কোরিয়ান সিনেমা যেহেতু এদেশে চলত না, সেগুলো চুরি শুরু হয়। এই চুরি ধরা পরতেও বেশিদিন লাগে নি।

ফলাফল কি হল? চোরাই গল্প, তামিল- তেলেগু সিনেমার ফুটেজ চুরি করা ছবি, নিম্নমানের একই বস্তাপচা অভিনয়, একই চেহারা থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করল। এক শাকিব- অপু জুটিরই নাকি ৭১টা সিনেমা আছে। ভারতের বড় বড় অনেক অভিনেতা ক্যারিয়ারেই ৭১টা সিনেমা করছে কিনা সন্দেহ।

তো এই সময়ে, মূলত ২০০৬ সাল পরবর্তী সময়ে মূলত কি হল? একদল নিম্নমানের, রুচিহীন, অশিক্ষিত লোকজন সিনেমা'র নাম করে জঘন্যতম কিছু ভিডিওকে "সিনেমা" নাম দিয়ে চালিয়ে সিনেমা শিল্পকে একদম ধ্বংস করে দিল। এই কথিত সিনেমার দর্শক শ্রেনী ছিল সমাজের সেই অংশ যাদের বিনোদনের আর কোন মাধ্যম নেই। একেবারেই নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া দরিদ্র কিছু মানুষ। যাদের আর কোন বিনোদনের উৎস নেই। ধীরে ধীরে এরাও মুখ ফিরিয়ে নেয়ার পরে দেশে এখন চলচ্চিত্র শিল্প নেই বললেই চলে। বাংলাদেশে বছরে ২-৩টা যা মানসম্পন্ন সিনেমা হয় তরুণ নির্মাতাদের, সেগুলোও প্রদর্শন করার জায়গা নেই। কারন সিনেমা হল না থাকলে, সিনেমা থাকবে কিভাবে।
ভারতের মালয়ালাম ইন্ডাস্ট্রি বা কন্নড় ইন্ডাস্ট্রির দিকে তাকালে খুব আফসোস হয়। এসব ভাষার মোট ভাষাভাষী সারা পৃথিবী মিলেও ১০ কোটি হবে না। আর আমাদের দেশে জনসংখ্যা ১৮ কোটি। সারা পৃথিবীতে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির ব্যবসা হল ৭-১০ দিনের। মুক্তি পাবার ৭-১০ দিনের মধ্যেই দর্শককে সিনেমা দেখাতে হবে। নইলে পাইরেসি, সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পয়লার, স্টোরি লাইন জানাজানি হওয়ার কারনে সিনেমার আকর্ষণ কমে যায়। বাংলাদেশে কি সেই সুযোগ আছে?
একটা সিনেপ্লেক্সে একাধিক স্ক্রিন থাকে। গড়ে প্রতি স্ক্রিনে ২৫০ সিট, প্রতিদিন ৫টা শো যদি ধরি, তাহলে ১২৫০ সিট প্রতি স্ক্রিনে। দিনে যদি ১০ লাখ মানুষকে একটা সিনেমা দেখাতে হয়, সেক্ষেত্রে কমপক্ষে ৮০০ স্ক্রিন লাগবে। ৮০০-৯০০ স্ক্রিন এর জন্য দরকার মোটামুটি ২০০-২৫০ টি সিনেপ্লেক্স। প্রতি জেলায় মিনিমাম একটি করে সিনেপ্লেক্স, বড় শহরে ৩-৪টা করে সিনেপ্লেক্সে, আর দেশব্যাপী মানসম্পন্ন ১০০+ সিংগেল স্ক্রিন সিনেমা হল (এখনকার গুদামঘর টাইপ হল না) হলে এদেশে দিনে ১০ লাখ টিকেট ও বিক্রি করা সম্ভব। তুমুল জনপ্রিয় কোন সিনেমা সেক্ষেত্রে ২-৩ সপ্তাহ চললে ৫০-৬০ লাখ টিকেট বিক্রি ও সম্ভব। কল্পনা করা যায় এদেশে সিনেমার বাজার কত বড়?? এমন হলে এদেশে ২০-২৫ কোটি টাকা বাজেটের সিনেমা বানানো কোন বিষয়??

কিন্তু এগুলো সবই থেমে আছে সেই নিম্নমানের, রুচিহীন, অশিক্ষিত লোকজনগুলোর জন্য। এরা জানে যে কোনমতে যদি বিপুল জনপ্রিয় হিন্দি সিনেমা, হলিউডের সিনেমা মুক্তির দিনই বাংলাদেশে মুক্তি পেতে শুরু করে, তাহলে আর এই বস্তাপচা এফডিসি মার্কা অখাদ্য দেখার জন্য বস্তির টোকাইদের ও পাওয়া যাবে না। তখন ওসব দর্শক ও হিন্দি সিনেমা দেখতে যাবে। আর এই তুমুল জনপ্রিয় মুভিগুলো মুক্তি পেলে দেশে অনেকগুলো সিনেপ্লেক্স হবে। মানসম্মত সিংগেল স্ক্রিন হল হবে যেখানে মানসম্মত স্ক্রিন ও সাউন্ড দিয়ে হিন্দি সিনেমাগুলো দেখানো যাবে। এই রকম যদি সিনেমার পরিবেশ হয়, তাহলে ভাবুন তো প্রযোজকরা ২০-২৫ কোটি টাকা লগ্নি করলে কোন পরিচালকদের পিছনে করবে?? ঝন্টু- ফন্টু, নকল খোকন এদের পিছনে? নাকি অমিতাভ রেজা, আশফাক নিপুন, মেজবাউর রহমান সুমন, অনম বিশ্বাসদের পিছনে?
বাস্তবতা হল এইরকম সুদিন এলে এফডিসি মার্কা যাত্রাপালা ক্যাটেগরির সিনেমা সংশ্লিষ্ট সব ভিক্ষা করে খাওয়া লাগবে। একই বস্তাপচা জিনিস দর্শককে গেলানোর দিন শেষ হবে।

তাই বাংলাদেশ এর চলচ্চিত্র শিল্পের স্বার্থে, সিনেমার স্বার্থে এদেশে উন্নত মানের ভারতীয় চলচ্চিত্র আমদানি শুরু করা উচিত। সংখ্যা লিমিটেড হোক প্রয়োজনে। বছরে ২০টা করেই আসুক হিন্দি, তামিল, তেলেগু, মালয়ালাম ছবি। সাথে আসুক একই সংখ্যক জনপ্রিয় হলিউড সিনেমা। মুক্তবাজার করে দেয়া হোক। তখন এদের সাথে কমপিট করে যদি বছরে ২০টা ভাল বাংলা সিনেমা ও হয়, তবুও অনেক ভাল। সেই ২০টা সিনেমাই হবে মানসম্মত। জয় হোক আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের।

সংগৃহীত

Address

Taj Mahal Road
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ghorchara Media Production Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ghorchara Media Production Ltd.:

Share