শাহাদাৎ চত্বর - শাপলা চত্বর ।

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • শাহাদাৎ চত্বর - শাপলা চত্বর ।

শাহাদাৎ চত্বর - শাপলা চত্বর । ”সকল শহীদদের রক্তের বদলা আমরা নেব” এট?

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুওউন তুহিব্বুল আয়া ফা'ফু আন্নি।আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি (اللَّهُمَّ إ...
10/03/2026

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুওউন তুহিব্বুল আয়া ফা'ফু আন্নি।
আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি (اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي) একটি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ দোয়া। এর অর্থ: "হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি পরম ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন" এটি মূলত পবিত্র রমজানের শেষ দশ রাতে, বিশেষ করে লাইলাতুল কদরের রাতে পাঠ করার জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন .
দোয়ার গুরুত্ব ও ফজিলত:
লাইলাতুল কদরের দোয়া: এটি শবে কদরের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দোয় হিসেবে গণ্য, যা হযরত আয়েশা (রা.)-কে শিক্ষা দিয়েছিলেন নবীজি (সা.) .
ক্ষমা লাভের সুবর্ণ সুযোগ: এই দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর কাছে পাপ মোচন ও ক্ষমার আবেদন জানানো হয়, কারণ তিনি ক্ষমা করতে পছন্দ করেন .
আত্মিক প্রশান্তি: নিয়মিত এই দোয়া পাঠের মাধ্যমে আত্মিক শান্তি ও আল্লাহর দয়া লাভ করা যায় .
রমজানের শেষ দশ দিন, বিশেষ করে বিজোড় রাতগুলোতে বেশি বেশি এই দোয়া পাঠ করা উচিত .

লাইলাতুল কদরের রাতে আমল করতে এই গাইডলাইনটা দেখতে পারেন।সর্বপ্রথম চেষ্টা করবেন দুপুরের দিকে একটু বিশ্রাম করে নিতে, যেন রা...
10/03/2026

লাইলাতুল কদরের রাতে আমল করতে এই গাইডলাইনটা দেখতে পারেন।
সর্বপ্রথম চেষ্টা করবেন দুপুরের দিকে একটু বিশ্রাম করে নিতে, যেন রাত জেগে ইবাদত করার এনার্জি পাওয়া যায় ইন শা আল্লাহ। গোসল থেকে শুরু করে সকল ধরনের বড় কাজ আগেভাগেই সেরে রাখুন যাতে মাগরিবের পর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করতে হয়।

১। মাগরিবের পর থেকে অহেতুক স্ক্রিন টাইম, আনমনে স্ক্রল করে যাওয়া, টিভি দেখা থেকে একদম বিরত থাকুন। হাতের কোন কাজ থাকলেও মুখে দোয়া জিকির করতেই থাকুন।

২। মাগরিবের পর থেকেই কিন্তু কদরের রাতের শুরু, তাই ইফতারের পরে আপনি কোন ধরনের কথা উচ্চারণ করছেন খেয়াল রাখবেন। গীবত, পরনিন্দা হয়ে গেলে এ সমস্ত গুনাহের প্রভাবে যেন আপনার কদরের রাত যেন নষ্ট না হয়ে যায়।

৩| মাগরিবের নামাজের পর সন্ধ্যার দোয়া জিকির গুলো বই দেখে ভালোভাবে সবগুলো শেষ করুন। এগুলো আপনার পুরো রাতের ইবাদতকে সহজ করে তুলবে, শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে রক্ষা করবে ইনশাআল্লাহ।

৪। এশার নামাজ ভাইরা তো মসজিদে পড়বেন আর বোনেরা যারা ঘরে থাকবেন একই সময়ে নামাজ শুরু করে দিবেন যাতে সম্পূর্ণ এনার্জি নিয়ে লম্বা সময় ধরে নামাজ পড়তে পারেন।

৫। এরপর কিছুটা বিশ্রাম নিন, কুরআন পড়তে পারলে রাত ১২টা ১টা পর্যন্ত কুরআন পড়ুন।

৬। রাত ১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত জিকির করুন।

যেমনঃ-

🔹 কদরের রাতে সর্বশ্রেষ্ঠ দুয়াটি বেশি বেশি পড়তে থাকুন— "আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আ'ফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি!"

🔹‌ আপনার জান্নাতে একটা একটা করে গাছ লাগাতে থাকুন লাইলাতুল কদরের রাতে " সুবহানাল্লাহিল আ'যিম ওয়া বিহামদিহ" এই জিকিরের মাধ্যমে।

📜 আরো জিকির করুনঃ

🔹 সুবহান আল্লহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লহু আকবার।
(১০০+ বার করে)
🔹 লা ইলাহা ইল্লাল্লহ (১০০+ বার)
🔹আস্তাগফিরুল্লহ ( ১০০+ বার, যত বেশি সম্ভব হয়)
🔹 সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি (কমপক্ষে ১০০ বার)
🔹দুরূদ শরীফ (১০০০ বার)
🔹দুরূদে ইব্রাহিম ( কমপক্ষে ৫০০ বার)
🔹 "লা ইলাহা ইল্লাল্লহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদির" (কমপক্ষে ১০০ বার)

🔹 দুয়া ইউনুস - "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যলিমীন" ।(যত পারেন)

🔹 "সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লহিল 'আযীম।" (কমপক্ষে ১০০ বার) ।

🔹"লা হাওলা ওয়ালা কুওওতা ইল্লা বিল্লাহ" বেশি বেশি পড়তে পারেন।

🔹 সূরা ইখলাস যত বেশি পড়া যায়।

🔹স্যায়েদুল ইস্তগফার পাঠ করা।

🔹সুরাহ মুলক পাঠ করা।

🔹সুরাহ বাকারাহ এর শেষ দুই আয়াত পাঠ করা।

🔹 কুরআনে উল্লেখিত দুআগুলো পাঠ করা।

🔹জান্নাত প্রার্থনা করা এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা ~
"আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতাল ফিরদাউস
আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার "

রাত ২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত আবার নামাজ পড়ুন। (তারাবির নামাজ) এবার ধীরে-সুস্থে রুকুতে এবং সিজদায় অনেকক্ষণ সময় দিবেন। বিশেষ করে সিজদায় অসম্ভব সময় নিয়ে দুয়া করবেন। সিজদায় বেশী বেশী সময় ব্যয় করুন।

৭।তারপর বিতরের নামাজ পরুন।

৮। শেষ রাতে অবশ্যই হাত তুলুন মালিকের কাছে।
আপনার প্রয়োজনের সব কিছু খুলে বলুন. চোখের পানি ফেলে বলুন, "হে আমার মালিক, আমি আপনার ইবাদত করি এবং আপনার কাছেই হাত পেতেছি...।
৯। সাহরি খান।

১০। ফজরের নামাজ পড়ুন।

▫️রমজানের শেষ দশ দিনের মধ্যে যে কোন রাত শবে কদর হয়ে যেতে পারে। তাই শবে কদরের রাত মিস করতে না চাইলে, দশ রাতেই আমল করুন।

আল্লাহ আমাদেরকে লাইলাতুল কদর পর্যন্ত পৌঁছে দিন।

বিচারদিবসের কিছু পরিস্থিতিঃ১. সেদিন সকলে একত্রিত হবে, ২. দুনিয়ার জমিন হবে রুটির ন্যায়, ৩. মানুষ নগ্নপদ, নগ্নদেহ ও খতনা...
08/03/2026

বিচারদিবসের কিছু পরিস্থিতিঃ

১. সেদিন সকলে একত্রিত হবে,
২. দুনিয়ার জমিন হবে রুটির ন্যায়,
৩. মানুষ নগ্নপদ, নগ্নদেহ ও খতনাবিহীন সমবেত হবে,
৪. কেউ কারোর প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার অবকাশ পাবে না,
৫. কাফেরদেরকে মুখের মাধ্যমে হাঁটিয়ে একত্রিত করা হবে,
৬. প্রতি হাজারে ৯৯৯ জন লোক জাহান্নামী বলে ঘোষিত হবে (ইয়াজুজ-মাজুজ সম্প্রদায় থেকে হবে ৯৯৯ জন আর মুমিনদের মধ্য হতে ১ জন),
৭. ঐদিন মানুষ ঘর্মাক্ত হবে, এমনকি ঘাম তাদের কান পর্যন্ত পৌছাবে,
৮. সূর্যকে অতি নিকটে আনা হবে এবং মানুষের আমল অনুপাতে ঘামের মধ্যে ডুবে থাকবে,
৯. দুনিয়াতে যারা আল্লাহর জন্য সিজদাহ করে নাই কিংবা লোক দেখানোর জন্য সিজদাহ করেছে তারা সেদিন আল্লাহকে সিজদাহ দিতে পারবে না,
১০. মুমিনদের হিসাব হবে মুখো-মুখি,
১১. যার হিসাব পুংখানুপুংখ যাচাই করে হবে সে ধ্বংস হবে,
১২. ঐদিন মানুষের মুখ বন্ধ করে দেওয়া হবে,
১৩. হাত, পা, কান, চক্ষু এবং চামড়া মানুষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে,
১৪. সে দিনের সময় সীমা হ'ল ৫০ হাজার বছরের সমান,
১৫. তবে ঐ দিন মুমিনের জন্য একটি ফরজ সালাত আদের সময়ের ন্যায় মনে হবে ।

তথ্যসূত্র:
[১: সূরা আন আম: ২২|
২: বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা: ৫২৯৮|
৩-৪: বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা: ৫৩০২|
৫: বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা: ৫৩০৩|
৬: বুখারী: ৪৭৪১|
৭-৮: বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা: ৫৩০৬, ৫৩০৮|
৯: সূরা কালাম:৪২-৪৩; মিশকাত: ৫৩০৮|
১০-১১: মিশকাত: ৫৩১৫|
১২: সূরা ইয়াসীন: ৬৫|
১৩: সূরা নূর: ২৪; হা-মীম সাজদাহ: ২০|
১৪: মুসলিম, মিশকাত হা: ১৭৭৩|
১৫: বায়হ্বাকী, মিশকাত হা: ৫৫৬৩]

এক বুযুর্গ রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তিনি দেখলেন কিছু ছেলে নিজেদের মধ্যে কোনো একটা বিষয়ে বেশ গুরুত্ব দিয়ে তর্ক করছ...
01/03/2026

এক বুযুর্গ রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তিনি দেখলেন কিছু ছেলে নিজেদের মধ্যে কোনো একটা বিষয়ে বেশ গুরুত্ব দিয়ে তর্ক করছে। তিনি কাছে যেতেই ছেলেরা বলল,

"আমরা একটা বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছি, আপনি কি এর সমাধান করে দেবেন?"

বুযুর্গ বললেন, "বলো তো দেখি, তোমাদের সমস্যাটা কী?"

একজন বলল, "আমাদের প্রশ্ন হলো, যে লোকটা অনেক বেশি নেক আমল করে এবং কখনো গুনাহ করেনি, আল্লাহ কি তার দিকে বেশি নজর রাখেন? নাকি যে ব্যক্তি অনেক বড় গুনাহগার ছিল কিন্তু পরে 'খাঁটি তওবা' করেছে, আল্লাহ তার হৃদয়ের দিকে বেশি (রহমতের) নজর রাখেন?"

বুযুর্গ বললেন,
"বাবারা, আমি বড় কোনো আলেম নই। তবে আমার জীবনের ক্ষুদ্র এক অভিজ্ঞতা থেকে আমি উত্তর দিতে পারি।

পেশায় আমি একজন তাঁতি, কাপড় বুননের কাজ করি। আমার কাজের সময় যখন কোনো সুতা ছিঁড়ে যায়, আমি তখন সেই ছেঁড়া অংশে একটি গিঁট দিই।

এরপর কাপড়ের পুরো সুতাগুলোর মধ্যে ওই গিট দেওয়া সুতাটির দিকেই আমি সবচেয়ে বেশি নজর রাখি, যাতে সেটি আবার ছিঁড়ে না যায়।"

ঠিক তেমনি, কোনো বান্দা যখন শয়তানের রাস্তা ছেড়ে দিয়ে 'খাঁটি তওবা'র মাধ্যমে আল্লাহর সাথে নিজের সম্পর্কের গিট বা বন্ধন আবার জুড়ে দেয়, তখন হতে পারে আল্লাহ তা'আলা সেই বান্দার হৃদয়ের ওপরই সবচেয়ে বিশেষ নজর রাখেন, যেন তাঁর এই দুর্বল বান্দাটি আর কখনও শয়তানের ধোঁকায় পড়ে ছিঁড়ে (বিচ্ছিন্ন হয়ে) না যায়।

তওবা করলে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক আরও মজবুত হয়।গুনাহগার বান্দা যখন ফিরে আসে, আল্লাহ তাকে আগলে রাখেন যেন সে আর পথভ্রষ্ট না হয়।

​তীব্র রোদে পুড়ে মাটি যখন ফেটে চৌচির হয়ে যায়, তখন এক পশলা বৃষ্টিই যথেষ্ট সেই মাটিকে আবার সজীব আর উর্বর করে তুলতে।

গুনাহ আমাদের হৃদয়কে পুড়িয়ে ছাই করে দিলেও তওবা হলো সেই ‘রহমতের বৃষ্টি’, যা এক মুহূর্তেই সব রুক্ষতা ধুয়ে মুছে আমাদেরকে আল্লাহর প্রিয় করে তোলে।

যতবার পড়ি, ততবারই চোখে পানি চলে আসে…এই দুনিয়াকে কেন “মুমিনের কারাগার” বলা হয়—এই গল্পটা পড়লেই হয়তো তার উত্তর খুঁজে পাওয়া ...
27/02/2026

যতবার পড়ি, ততবারই চোখে পানি চলে আসে…

এই দুনিয়াকে কেন “মুমিনের কারাগার” বলা হয়—
এই গল্পটা পড়লেই হয়তো তার উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়।
জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবী
তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ (রা:)।
তিনি প্রতিদিন নবীজি (সা:)–এর পেছনে ফজরের নামাজ আদায় করতেন।
কিন্তু নামাজে সালাম ফিরানোর সাথে সাথেই
তিনি আর মসজিদে বসে থাকতেন না,
তাড়াতাড়ি বাড়ির দিকে চলে যেতেন।
অথচ অন্য সাহাবিরা ফজরের পর সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত
রাসূলুল্লাহ (সা:)–এর কাছে বসে থাকতেন,
বয়ান শুনতেন, জিকির করতেন,
রূহানী প্রশান্তিতে সময় কাটাতেন।
কয়েকদিন ধরে একই ঘটনা দেখে
সাহাবিদের মাঝে আলোচনা শুরু হলো—
“তালহা (রা:) কেন নামাজ শেষ করেই চলে যান?”
একসময় বিষয়টি নবীজি (সা:)–এর কানে পৌঁছালো।
তিনি মমতাভরা কণ্ঠে বললেন,
“আগামীকাল ফজরের নামাজ শেষে তালহা যেন আমার সাথে দেখা করে।”
পরের দিন ফজরের নামাজ শেষ হলো।
তালহা (রা:) অপেক্ষা করছেন,
মাথা নিচু, চোখে লজ্জা আর ভক্তি।
নবীজি (সা:) তাকে ডাকলেন।
অত্যন্ত কোমল কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলেন—
“হে তালহা! আমি কি তোমাকে কোনো কষ্ট দিয়েছি?
আমি কি তোমার কোনো হক নষ্ট করেছি?”
এই প্রশ্ন শুনে তালহা (রা:) ভেঙে পড়লেন।
চোখ ভিজে গেল অশ্রুতে।
কাঁপা কণ্ঠে বললেন—
“ইয়া রাসূলাল্লাহ (সা:)!
আমার জীবন আপনার জন্য উৎসর্গ হোক।
আপনি আমার কোনো হক নষ্ট করেননি।”
নবীজি (সা:) আবার বললেন—
“তাহলে তুমি প্রতিদিন নামাজ শেষে আমার কাছে না বসে
তাড়াতাড়ি চলে যাও কেন?”
এবার তালহা (রা:) অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে বললেন—
“ইয়া আল্লাহর রাসূল (সা:)…
আমার এবং আমার স্ত্রীর জন্য একটি মাত্র পোশাক আছে।
আমি যখন সেই পোশাক পরে নামাজ পড়তে আসি,
আমার স্ত্রী তখন অপেক্ষা করেন।
আর যখন তিনি নামাজ পড়েন,
আমি তখন অপেক্ষা করি।
ফজরের সময় আমি তাকে একা রেখে আসি,
যাতে এসে নামাজ আদায় করতে পারি।
যদি নামাজ শেষে এখানে বসে থাকি,
তাহলে তার নামাজ কাজা হয়ে যাবে,
ইয়া রাসূলাল্লাহ (সা:)…
এই কারণেই আমি সালাম ফিরিয়েই দৌড়ে চলে যাই।”
এই কথা শুনে
রাসূলুল্লাহ (সা:)–এর চোখে অশ্রু চলে এলো।
দাড়ি বেয়ে গড়িয়ে পড়তে লাগলো চোখের পানি।
একটি দম্পতি—
যাদের একটি মাত্র পোশাক,
অভাবের চরম সীমা,
তবুও নেই কোনো অভিযোগ,
নেই কোনো অজুহাত,
আছে শুধু আল্লাহর ইবাদতের প্রতি অটল ভালোবাসা।
তখন নবীজি (সা:) মমতায় ভরা কণ্ঠে বললেন—
“হে তালহা!
নিশ্চয়ই তুমি জান্নাতে যাবে।”
আল্লাহু আকবার…
কী গভীর ঈমান!
কী অদ্ভুত ত্যাগ!
কী অসীম ধৈর্য!
একটা মাত্র পোশাক ছিল—
তবুও অভিযোগ ছিল না।
অভাব ছিল—
তবুও ইবাদতে শিথিলতা ছিল না।
কষ্ট ছিল—
তবুও আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা কমেনি।
আর আমরা?
অগণিত নিয়ামত পেয়েও
কত অভিযোগ করি!
কত অজুহাত দেই!
কখনো সময় নেই,
কখনো ক্লান্তি,
কখনো ব্যস্ততা…
এই গল্পটা পড়লেই বুক কেঁপে ওঠে,
চোখ ভিজে যায় অজান্তেই।
তখন মনে হয়—
দুনিয়া সত্যিই মুমিনের জন্য কারাগার,
আর ধৈর্যশীলদের জন্যই
আল্লাহ প্রস্তুত করে রেখেছেন
অশেষ পুরস্কার।
হে আল্লাহ,
আপনি আমাদের অভিযোগ কমিয়ে দিন,
শুকরিয়া বাড়িয়ে দিন,
আর ইবাদতের প্রতি ভালোবাসা দান করুন।
আমীন।

অনলাইন থেকে সংগৃহীত!

ইনকিলাব কাগজে লেখা শব্দ নয়—এটি রক্তে লেখা প্রতিবাদের নাম!ইনশাআল্লাহ, আগামীর বাংলাদেশ ইনসাফের বাংলাদেশ। ইনকিলাব জিন্দাবাদ...
22/02/2026

ইনকিলাব কাগজে লেখা শব্দ নয়—এটি রক্তে লেখা প্রতিবাদের নাম!
ইনশাআল্লাহ, আগামীর বাংলাদেশ ইনসাফের বাংলাদেশ।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ।

উগান্ডার প্রয়াত স্বৈরশাসক ইদি আমিন একবার সিদ্ধান্ত নিলেন যে তিনি দেশের নাম বদলে নিজের নামে অর্থাৎ 'ইদি' রাখবেন। তার মন্ত...
21/02/2026

উগান্ডার প্রয়াত স্বৈরশাসক ইদি আমিন একবার সিদ্ধান্ত নিলেন যে তিনি দেশের নাম বদলে নিজের নামে অর্থাৎ 'ইদি' রাখবেন। তার মন্ত্রিসভার সবাই প্রাণভয়ে এই উদ্ভট প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেলেন।

কিন্তু সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালিয়ামুঙ্গু নামে এক ব্যক্তি। তিনি সাহসের সাথে দাঁড়িয়ে বললেন, "মহামান্য রাষ্ট্রপতি, আপনি কি সাইপ্রাস নামক দেশটিকে চেনেন?"
ইদি আমিন বিরক্ত হয়ে প্রশ্ন করলেন, "উগান্ডার নাম পরিবর্তনের সাথে সাইপ্রাসের কী সম্পর্ক?"

ওয়ালিয়ামুঙ্গু বিনীতভাবে উত্তর দিলেন, "আজ্ঞা হয়, সাইপ্রাসের নাগরিকদের বলা হয় 'সাইপ্রিওটস' (Cypriots)। এখন আমরা যদি দেশের নাম বদলে 'ইদি' রাখি, তবে বিশ্বজুড়ে আমাদের ডাকা হবে 'ইডিওটস' (Idiots) বা গাধা/নির্বোধ হিসেবে। আর আমরা তো নিশ্চয়ই তা নই।"

ইদি আমিন কিছুক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে থেকে বললেন, "এই মন্ত্রিসভায় তুমি আর আমিই সবচেয়ে বুদ্ধিমান লোক। দেশের নাম উগান্ডাই থাক।" আর এভাবেই উগান্ডা তার নাম ফিরে পেয়েছিল।

মূল শিক্ষাঃ

ওয়ালিয়ামুঙ্গু সেদিন একাকী প্রতিবাদ করেছিলেন বলেই একজন ভয়ংকর একনায়কের পাগলামি থামানো সম্ভব হয়েছিল।

"ভালো মানুষের নীরবতাই অশুভ শক্তিকে জয়ী হওয়ার সুযোগ করে দেয়।"

CP…..

16/02/2026

রোজা ফরজ হওয়ার ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেনঃ

يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمْ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ

‘‘হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারীতা (তাকওয়া) অর্জন করতে পার’’। (সূরা বাকারাঃ ১৮৩) আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ

فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمْ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ

‘‘কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে যেন এ মাসের রোজা রাখে’’। (সূরা বাকারাঃ ১৮৫)
জনৈক গ্রাম্য লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললঃ আমাকে বলুনঃ আল্লাহ আমার উপর রোজা থেকে কি ফরজ করেছেন? উত্তরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ

(شَهْرَ رَمَضَانَ إِلاََّنْ تَطَّوَّعَ شَيْئًا)

‘‘তোমার উপর রামাযান মাসের রোজা ফরজ করা হয়েছে। তবে তুমি এর চেয়ে বেশী নফল রোজা রাখতে পার’’।

- বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুল ঈমান।

تَبَّتۡ یَدَاۤ أَبِی لَهَبࣲ وَتَبَّআবু লাহাবের দুই হাত ধ্বংস হোক এবং সে নিজেও ধ্বংস হোক। তার ধন-সম্পদ ও উপার্জন তার কোনো...
14/02/2026

تَبَّتۡ یَدَاۤ أَبِی لَهَبࣲ وَتَبَّ
আবু লাহাবের দুই হাত ধ্বংস হোক এবং সে নিজেও ধ্বংস হোক। তার ধন-সম্পদ ও উপার্জন তার কোনো কাজে আসেনি।
(সূরা ১১১: লাহাব -১-২)
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর কট্টর বিরোধী ও আপন চাচা আবু লাহাবের ধ্বংসের কথা বলা হয়েছে। তার অঢেল সম্পদ বা উপার্জিত ক্ষমতা আল্লাহর শাস্তি থেকে তাকে রক্ষা করতে পারেনি, যার মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, ঈমান বা সৎকর্ম ছাড়া পার্থিব ক্ষমতা ও সম্পদ পরকালে কোনো উপকারে আসে না।

মূল বিষয় সমূহ:
প্রেক্ষাপট অনুসারে, আবু লাহাব ইসলামের চরম বিরোধিতা করত এবং নবী (সা.)-কে কষ্ট দিত। এই আয়াত গুলো তার দুনিয়া ও আখিরাতে লাঞ্ছিত হওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী ,
অহংকারের পরিণতি: আবু লাহাব তার বংশ, ধন-সম্পদ ও প্রতিপত্তি নিয়ে অহংকার করত। আয়াত অনুযায়ী, এসব কিছুই তাকে আল্লাহর আজাব থেকে রক্ষা করতে পারবে না ।
পারিবারিক শাস্তি: কেবল আবু লাহাব নয়, তার স্ত্রীও (উম্মে জামিল) এই আয়াতে শাস্তিযোগ্য হিসেবে গণ্য হয়েছে, কারণ সেও নবী (সা.)-এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করত।
এই সূরাটি স্পষ্টভাবে শিক্ষা দেয় যে, কুফর ও অহংকার মানুষের ধ্বংসের কারণ এবং আল্লাহর সামনে মানুষের সম্পদ কোনো কাজে আসবে না।

Address

পুরাতন শাপলা চত্বর মোড়
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শাহাদাৎ চত্বর - শাপলা চত্বর । posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category