গাইডেন্স প্রকাশনী

গাইডেন্স প্রকাশনী If you're writer: +8801711-409979; প্রথম বই প্রকাশ করতে চান? আপনার পথ চলা শুরু হোক আমাদেরই সাথে!

বইয়ের শিরোনাম: হ্যামলেটলেখক: উইলিয়াম শেকসপিয়ার প্রকাশকাল: ১৫৯৯-১৬০১ ধরণ: নাটক(ট্রাজেডি)"To be, or not to be” এই দ্বিধান্...
11/06/2025

বইয়ের শিরোনাম: হ্যামলেট
লেখক: উইলিয়াম শেকসপিয়ার
প্রকাশকাল: ১৫৯৯-১৬০১
ধরণ: নাটক(ট্রাজেডি)

"To be, or not to be” এই দ্বিধান্বিত বিখ্যাত সংলাপটি শেক্সপিয়ার এর বিখ্যাত ট্রাজেডি নাটক "হ্যামলেট" এর নাম ও কেন্দ্রীয় চরিত্রের।

নাটকের মূল চরিত্র ডেনমার্কের রাজপুত্র হ্যামলেট নাটকের শুরুতেই জানতে পারে যে তার বাবা, আগের রাজা স্বাভাবিকভাবে মারা যাননি বরং তাকে হত্যা করা হয়েছে। হ্যামলেটের বাবা একদিন রাতে প্রেতাত্মা হয়ে প্রাসাদে ঘুরে বেড়ায় এবং একদিন হ্যামলেটকে জানায়, হ্যামলেটের চাচা ক্লডিয়াস তাকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলেছে যাতে ক্লডিয়াস রাজা হতে পারে এবং হ্যামলেটের মা গারট্রুডকে বিয়ে করে তার মনোবাসনা পূরণ করতে পারে।

এই বিষয়ে জানার পর হ্যামলেট মানসিকভাবে খুবই ভেঙে পড়ে। পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে চাইলেও সে নানা সন্দেহ ও দোটানায় পড়ে যায়। সে কখনো পাগলের মতো আচরণ করে, আবার কখনো খুব গভীরভাবে চিন্তা করতে থাকে।

হ্যামলেট একটি নাটকের সাহায্যে ক্লডিয়াসের অপরাধ এর ঘটনাটি নাটকের মধ্যেই তুলে ধরে। নাটকে ঠিক সেইরকম একটি হত্যার দৃশ্য দেখানো হয় যেভাবে তার বাবা মারা গিয়েছিল। সেই দৃশ্য দেখার সাথে সাথে ক্লডিয়াস অস্থির হয়ে পড়ে এবং হ্যামলেট নিশ্চিত হয় যে সে দোষী। নাটকের সাবপ্লটে হ্যামলেট ভুল করে তার প্রেমিকা ওফেলিয়ার বাবা পোলোনিয়াসকে মেরে ফেলে। ওফেলিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত মারা যায়।বোনের ও বাবার মৃত্যু প্রতিশোধ নিতে পোলেনিয়াস এর ছেলে হ্যামলেটকে মারার জন্য হন্যে হয়ে ঘুরতে থাকে।

নাটকের শেষ অংশে একটি দ্বন্দ্বযুদ্ধ হয়, যেখানে হ্যামলেট, ক্লডিয়াস, গারট্রুড ও লিয়ার্টিস মারা যায়। মৃত্যুর আগে হ্যামলেট রাজ্য শাসনের দায়িত্ব দেয় প্রিন্স ফোর্টিনব্রাসকে।

হ্যামলেট নাটকের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো চরিত্রগুলোর মানসিক জটিলতা। শেক্সপিয়ার এমন এক হ্যামলেটকে উপস্থাপন করেছেন, যে গভীরভাবে চিন্তাশীল, কখনো অস্থির, কখনো দার্শনিক আবার কখনো প্রতিহিংসাপরায়ণ। এই দ্বন্দ্ব, সংশয়, প্রতিশোধপরায়ণতা প্রভৃতি বিষয়গুলো আজও প্রাসঙ্গিক, যা হ্যামলেটকে আধুনিক পাঠকের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।

তাই ইংরেজি ক্লাসিক সাহিত্যে এক অবিস্মরণীয় অংশ হিসেবে হ্যামলেট আজও পাঠক নন্দিত।




গাইডেন্স পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে ঈদ মোবারক।সবার ঈদ আনন্দে কাটুক।
07/06/2025

গাইডেন্স পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে ঈদ মোবারক।সবার ঈদ আনন্দে কাটুক।

দ্য মেটামরফোসিস লেখক: ফ্রান্‌ৎস কাফকামূল ভাষা: জার্মানপ্রকাশকাল: ১৯১৫ধরণ: ফিকশনফ্রান্‌ৎস কাফকার "The Metamorphosis" কেবল...
06/06/2025

দ্য মেটামরফোসিস
লেখক: ফ্রান্‌ৎস কাফকা
মূল ভাষা: জার্মান
প্রকাশকাল: ১৯১৫
ধরণ: ফিকশন

ফ্রান্‌ৎস কাফকার "The Metamorphosis" কেবল একটি অদ্ভুত শারীরিক রূপান্তরের গল্প নয়, এটি মূলত এক গভীর অস্তিত্ববাদী কাহিনি, যেখানে আধুনিক মানুষের বিচ্ছিন্নতা, আত্মপরিচয়ের ভাঙন, এবং সমাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের ভঙ্গুরতা নিখুঁতভাবে চিত্রিত হয়েছে। উপন্যাসটি শুরু হয় এক অদ্ভুত ঘটনার মাধ্যমে; একজন সেলসম্যান, গ্রেগর সামসা, ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করেন যে তিনি একটি ভয়ানক পোকায় পরিণত হয়েছেন। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে এই অস্বাভাবিক ঘটনাকে ঘিরে রয়েছে এক শীতল স্বাভাবিকতা; কাফকা ইচ্ছাকৃতভাবে এই রূপান্তরকে অতিরঞ্জন বা নাটকীয়ভাবে না তুলে ধরে বরং পাঠককে একটি শীতল ও নির্মম বাস্তবতায় নিমজ্জিত করেন, যেখানে মানুষ ধীরে ধীরে তার মানবিক সত্তা থেকে বিচ্যুত হয়।

গ্রেগরের এই রূপান্তর মূলত প্রতীকীএকজন মানুষ যখন কেবল অর্থ উপার্জনের যন্ত্রে পরিণত হয়, তখন সে ধীরে ধীরে পরিবার ও সমাজের চোখে তার মানবিক মর্যাদা হারায়। তার শারীরিক পরিবর্তন বাস্তবতার এক অ্যালিগরি—যেখানে মানুষের মানসিক যন্ত্রণা, মূল্যহীনতার অনুভূতি এবং বর্জনের অভিজ্ঞতা পোকা হয়ে ওঠার চেয়ে কম ভয়ানক নয়।গ্রেগরের পরিবার, যারা একসময় তার উপার্জনের উপর নির্ভর করত, এখন তাকে গৃহবন্দী ও অবাঞ্ছিত মনে করে; এই মনোভাব কাফকার চোখে মধ্যবিত্ত পরিবারের আত্মকেন্দ্রিক, উপযোগবাদী চরিত্রকে তুলে ধরে।

এখানে কাফকার স্যুররিয়াল বর্ণনাভঙ্গি পাঠককে শুধু বিস্মিত করে না, বরং এক অদ্ভুত উদ্বেগের ভেতরেও ফেলেছে, যা ধীরে ধীরে দার্শনিক গভীরতায় রূপ নেয়। উপন্যাসটিতে ভাষা ও কাহিনির নির্মাণে রয়েছে নিঃসঙ্গতার এক চাপা সুর, যা গ্রেগরের মানসিক অবস্থাকে আরও প্রকট করে তোলে। তাঁর এই যন্ত্রণা শুধুই ব্যক্তিগত নয়, বরং এটি এক সার্বজনীন মানবিক অভিজ্ঞতার রূপক, যা আধুনিক পুঁজিবাদী সমাজে বসবাসকারী প্রত্যেক শ্রমজীবী মানুষের বাস্তবতা।

কাফকা প্রশ্ন তুলেছেন, একজন মানুষের মূল্য কি শুধুই তার উপযোগিতায় নির্ধারিত? The Metamorphosis এই প্রশ্নের জবাব না দিয়ে বরং পাঠককে সেই অস্বস্তি, অপরাধবোধ ও দায়বদ্ধতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। ফলত, এটি কেবল একটি কল্পগল্প নয়, বরং এক প্রগাঢ় দার্শনিক পাঠ যা আমাদের নিজের অস্তিত্ব, সম্পর্ক ও সমাজের কাঠামো নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে।

পৃথিবী বইয়ের হোক, বই পাঠকের হোক।


মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এর মতে, পৃথিবী পরিচালিত হয় ক্ষুধা আর যৌনতা দ্বারা।ফ্রয়েড ও মার্ক্সবাদী তত্ত্ব দ্বারা মানিক বন্দ্যোপ...
05/06/2025

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এর মতে, পৃথিবী পরিচালিত হয় ক্ষুধা আর যৌনতা দ্বারা।ফ্রয়েড ও মার্ক্সবাদী তত্ত্ব দ্বারা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত ছিলেন।মানিকের সবচেয়ে বিখ্যাত ও পাঠক নন্দিত উপন্যাস "পদ্মা নদীর মাঝি"।
বাংলা সাহিত্যের উপন্যাস জগতে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ এক অনন্য সৃষ্টি। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর লেখনীতে যে বাস্তববাদী ধারার সূচনা করেছিলেন, এই উপন্যাস তার এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ। ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি যেন পদ্মা নদীর মতোই বিশাল, গভীর এবং অনিশ্চয়তায় ভরা। এখানে নদী কেবল প্রকৃতির এক অনুষঙ্গ নয়, বরং এক জীবন্ত চরিত্র, যার বুকে ভেসে চলে মানুষের ভালোবাসা, শোক, হতাশা এবং সংগ্রামের কাহিনি।
উপন্যাসের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কুবের – এক দরিদ্র মাঝি, যার জীবনচিত্র নদীকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত। সে সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে প্রতিদিন নদীতে নামে, অথচ প্রতিদিনই তাকে লড়তে হয় অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য। তার স্ত্রী মালতী, মেয়েরা, আর আশপাশের চরিত্রগুলো মিলেই একটি সম্পূর্ণ জগৎ গড়ে ওঠে, যার প্রতিটি অংশ বাস্তব জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত। কুবেরের সঙ্গে কপিলার সম্পর্ক সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়, কিন্তু মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে গভীরভাবে স্পর্শ করে পাঠককে। এই প্রেম বা বলা ভালো – আকর্ষণ, শুধুমাত্র যৌবনের নয়, তা এক ধরনের নির্ভরতা, যন্ত্রণা ভাগ করে নেওয়ার আকুতি।
এ উপন্যাসের আরেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হোসেন মিয়া – এক স্থানীয় ব্যবসায়ী, যার স্বপ্ন ‘ময়নার চর’-এ গড়ে তোলা একটি কল্পিত সমাজ। এই চরিত্রটি আমাদের বুঝিয়ে দেয়, সমাজে পরিবর্তনের স্বপ্ন অনেক সময় নতুন এক শোষণব্যবস্থার জন্ম দিতে পারে। হোসেন মিয়া আদর্শবাদী নাকি কৌশলী ধূর্ত – এ প্রশ্ন উপন্যাসটিকে আরও গভীর করে তোলে।
‘পদ্মা নদীর মাঝি’ একদিকে যেমন নদীকেন্দ্রিক জীবনের করুণ দিক তুলে ধরে, অন্যদিকে তা মানুষের চিরন্তন দ্বন্দ্ব – নৈতিকতা, প্রেম ও প্রয়োজনের মধ্যে টানাপোড়েন – খুবই সূক্ষ্মভাবে উপস্থাপন করে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এই উপন্যাসে দুর্দান্তভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন কীভাবে অভাব, অনিশ্চয়তা ও সমাজের চাপ মানুষকে পরিবর্তিত করে, কখনও ভেঙে দেয়, আবার কখনও কঠিন করে তোলে।
এই সুখপাঠ্য উপন্যাসটি পাঠকের জন্য এক বিশেষ উপহার।


তারাশঙ্করের "কবি" উপন্যাসটি বাংলা ক্লাসিকের এক অনবদ্য উৎস।নিচু জাতের ছেলে নিতাই কীভাবে হয়ে ওঠে কবিয়াল, বিবাহিত নারী ঠাকু...
04/06/2025

তারাশঙ্করের "কবি" উপন্যাসটি বাংলা ক্লাসিকের এক অনবদ্য উৎস।নিচু জাতের ছেলে নিতাই কীভাবে হয়ে ওঠে কবিয়াল, বিবাহিত নারী ঠাকুরঝির সাথে তার সখ্যতা তারপর নিতাইয়ের গানের দলে ভিড়ে যাওয়া, বসন এর সাথে পরিচয় এবং শেষমেশ বসন্ত আর ঠাকুরঝির মৃত্যু এই উপন্যাসকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে যায়।মানব মনের দ্বন্দ্ব, শিল্পীসত্তার বিকাশ এবং প্রেমের এক অসাধারণ মিশেলে তারাশঙ্কর প্রতি পরতে পরতে পাঠককে ধরে রাখতে সক্ষম।উপন্যাসে লেখক জীবন এর যে দর্শন রেখে গিয়েছেন তা শেষ হয়েছে এক অনির্ণেয় উপলব্ধিতে —
"জীবন এত ছোট ক্যানে?"


মিথ অফ সিসিফাসপ্রকাশ: ১৯৪২লেখক: আলবেয়ার কাম্যুধরন: দর্শন, অস্তিত্ববাদ ও এবসার্ডিজমকরিন্থ শহরের বুদ্ধিমান ও শক্তিশালী রাজ...
31/05/2025

মিথ অফ সিসিফাস
প্রকাশ: ১৯৪২
লেখক: আলবেয়ার কাম্যু
ধরন: দর্শন, অস্তিত্ববাদ ও এবসার্ডিজম

করিন্থ শহরের বুদ্ধিমান ও শক্তিশালী রাজা সিসিফাস।পৃথিবীর এই সুন্দর জীবন ছেড়ে মানুষকে মৃত্যুকে মেনে নিতে হয়, তিনি তা মেনে নিতে পারেন না।তাই মৃত্যুর দেবতা থানাটোসকে সিসিফাস বন্দী করে ফেলে, যাতে কেউ আর মারা না যায়।তার এই কাজ নিশ্চিতভাবে দেবতাদের আদেশকে লঙ্ঘন করে।তাই দেবতা জিউস ও হেডিস রাজা সিসিফাসকে এক অদ্ভুত শাস্তি দেন।তার শাস্তি হচ্ছে একটি ভারী পাথরকে পাহাড়ের চূড়ায় ঠেলে নিয়ে যাওয়া এবং যখনই সে চূড়ার কাছে পাথরটিকে নিয়ে যাবে তখনই পাথরটি গড়িয়ে পড়ে যাবে এবং সিসিফাসকে সেই পাথরকে আবার ঠেলে নিয়ে যেতে হবে।

আমাদের জীবনের সাথে সিসিফাসের মিল পাওয়া যায়, তাই না?
আমরা জানিনা আমরা কোথায় পৌঁছাবো অথবা আমরা জানি, আমরা কোথাও পৌঁছাতে পারব না তবু আমরা জীবন ছেড়ে পালিয়ে যাই না।কর্পোরেট জীবনের ক্লান্তি নিয়ে ফের ছুটে চলা, অর্থহীনতার মাঝেও অর্থ খোঁজা আধুনিক মানুষ আর গ্রিক পুরাণ থেকে উঠে আসা সিসিফাস যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।

কাম্যুর মতে – জীবন নিরর্থক, তবুও আমাদের জীবনের পাথর ঠেলে যেতে হবে।এর মধ্যেই মনুষ্য জীবনের দ্রোহ, পালিয়ে না যাওয়ার মধ্যেই তার বিদ্রোহ।এক্সিসটেনশিয়ালিজম বা অস্তিত্ববাদ তত্ত্ব অনুসারে – জীবন অর্থহীন কিন্তু এই অর্থহীনতাকেই নিজের মতো করে অর্থের মধ্যে বেধে আমাদের জীবনকে টেনে নিয়ে যেতে হবে সিসিফাসের পাথরের মতন।সিসিফাস জানে তার কাজ অর্থহীন, তবু সেই জ্ঞান নিয়েই সে জীবনকে গ্রহণ করেছে – এটিই তার জয়।

আলবেয়ার কাম্যুর “The myth of Sisyphus” বইটি মূলত দর্শনভিত্তিক একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ।এই বইয়ে তিনি কিয়েরকিগার্ড, সাঁত্র, ফ্রেডরিখ নিতশে, শোপেনহাওয়ার প্রভৃতি দার্শনিক এর তত্ত্ব ব্যবহার করে এবসার্ডিজম ও এক্সিসটেনশিয়ালিজম এর সূক্ষ্ম পার্থক্য এবং বিভিন্ন ডাইমেনশন তুলে ধরেছেন।কাম্যুর মতে – মানুষ অর্থ খোঁজে কিন্তু পৃথিবী তাকে নিজে থেকে কোন অর্থ দেয় না, মানুষকে নিজের মতো করে অর্থ দাঁড় করাতে হয়, যা প্রকৃতপক্ষে জন্ম দেয় এবসার্ডিটি বা অর্থহীনতার। দর্শনভিত্তিক এই বইতে চরিত্র হিসেবে সিসিফাসকে বেছে নেয়ার সার্থকতা দুইটি। প্রথমত, এই এবসার্ড সিচুয়েশন এর যোগ্য প্রতিনিধি সিসিফাস। একইভাবে, আধুনিক মানুষের জীবনের যে অর্থহীনতা, সেটিও এর মধ্যে দিয়ে যথাযথভাবে প্রকাশিত হয়। আমরা প্রতিদিন কাজ করি, স্বপ্ন দেখি, ভালোবাসি তবু হঠাৎ একদিন মনে হয় – জীবন কি নিছকই পুনরাবৃত্তি ও মৃত্যু নয়?
তবে আলবেয়ার কাম্যু আত্মহত্যাকে কোন সমাধান হিসেবে দেখেন না বরং অর্থহীনতার মুখোমুখি হয়েও জীবনকে গ্রহণ করা এং জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে বেঁচে থাকার অর্থ খোঁজার মধ্যেই প্রকৃত সার্থকতা নিহিত।আমরা প্রত্যেকেই একেকজন সিসিফাস – যে কিনা অর্থহীনতার মাঝেও জীবনের অনিবার্যতাকে স্বীকার করে নেয়। কাম্যুর লিখনশৈলী জটিল।ফরাসী ভাষায় মূল বই লেখা হলেও ইংরেজিসহ অসংখ্য ভাষায় বইটি অনুদিত হয়।
কাম্যু লিখেছেন, “One must imagine Sisyphus happy.”
এই ইমাজিনেশনই মানবজাতিকে বাঁচিয়ে রাখে, রাখবে অবসার্ডিটির নীরব পৃথিবীতে।

পৃথিবী বইয়ের হোক, বই পাঠকের হোক।




একজন লেখক স্বপ্ন দেখলেন তার প্রথম বইটা একুশে বইমেলায় প্রকাশ পাবে। তিনি অপেক্ষা করলেন। দিন গড়াল, মাস পেরোল। মেলার সময় ঘনি...
26/04/2025

একজন লেখক স্বপ্ন দেখলেন তার প্রথম বইটা একুশে বইমেলায় প্রকাশ পাবে। তিনি অপেক্ষা করলেন। দিন গড়াল, মাস পেরোল। মেলার সময় ঘনিয়ে এলো।

সবকিছু যেন হঠাৎ করেই ছুটতে শুরু করলো-প্রুফ দেখার সময় নেই, বাঁধাই ঠিকঠাক হলো না, প্রচারণার জন্য সময়ও মিললো না।
তার বইটি হারিয়ে গেল হাজারো নতুন বইয়ের ভিড়ে…স্বপ্নটা অপূর্ণ রইলো।

প্রতি বছর এমনটা ঘটছে অগণিত লেখকের সাথে। কারণ? শুধু মেলার জন্য অপেক্ষা করা!

তাই এখনই পান্ডুলিপি প্রস্তুত করুন। মেলার অপেক্ষা নয়, নিজের সময়কে প্রাধান্য দিন।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আপনার বই হোক গর্বের এক জীবন্ত গল্প।

বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন।

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫-এ গাইডেন্স প্রকাশনীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিক্রিত কাব্যগ্রন্থ ‘প্রদাহ ও প্রার্থনা’-এর মোড়ক উন্মোচন আজ ...
22/02/2025

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫-এ গাইডেন্স প্রকাশনীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিক্রিত কাব্যগ্রন্থ ‘প্রদাহ ও প্রার্থনা’-এর মোড়ক উন্মোচন আজ আমাদের জন্য এক অনন্য গৌরবের মুহূর্ত হয়ে থাকল! 🫶

বাংলা সাহিত্য ও প্রকাশনার ধারায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করলো এই আয়োজন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের প্রভোস্ট, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. হোসনে আরা বেগম। প্রধান আলোচক হিসেবে আমাদের সঙ্গে ছিলেন গাইডেন্স প্রকাশনীর সম্মানিত চেয়ারম্যান, কবি ও ছড়াকার আসাদুজ্জামান রানা, যাঁর প্রজ্ঞা ও সাহিত্যচর্চা আমাদের পথচলার অনুপ্রেরণা।

মঞ্চকে আলোকিত করেছেন ‘প্রদাহ ও প্রার্থনা’-এর প্রতিভাবান লেখিকা মারজানা আফরিন বাঁধন। তার শব্দশৈলী, অনুভূতির গভীরতা এবং কাব্যিক প্রকাশ নিঃসন্দেহে বাংলা সাহিত্যের নতুন সম্ভাবনার প্রতিচিত্র। অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে সঞ্চালনা করেছেন গাইডেন্স প্রকাশনীর প্রকাশক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী আরাফাতুজ্জামান আবেশ।

যদিও প্রচ্ছদ শিল্পী ফাহিম চৌধুরী রাজধানীর যানজটের কারণে শুরুতে উপস্থিত থাকতে পারেননি, পরবর্তীতে তিনি আমাদের মাঝে এসে যোগ দেন। তার তুলির ছোঁয়ায় ফুটে ওঠা শিল্পকর্ম বইটির সৌন্দর্যকে আরও নন্দিত করেছে, যা পাঠকহৃদয়ে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

👉 আজ গাইডেন্স প্রকাশনীর স্টল যেন এক মিলনমেলা হয়ে উঠেছিল। বইপ্রেমীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি আমাদের উচ্ছ্বসিত করেছে। বিশেষ করে কবি ও ছড়াকার আসাদুজ্জামান রানা স্যার-কে একনজর দেখতে এবং তার স্বাক্ষরিত বই সংগ্রহ করতে পাঠকদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। খুলনার মেলা থেকে সময় বের করে তিনি ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় আমাদের সঙ্গে ছিলেন, যা আমাদের জন্য এক বিরল সৌভাগ্যের বিষয়। ❤️

আজ আমাদের স্টলে আরও উপস্থিত ছিলেন—
📖 ‘গুপ্তধন অতঃপর মৃত্যু’-এর লেখক সাইফ জামান
📖 ‘খুকুর ছড়া’-এর লেখক জিকরুল ইসলাম
📖 ‘আলোরেখা’ উপন্যাসের তরুণ লেখক আব্দুল্লাহ মামুন, যার লেখনী ইতোমধ্যেই পাঠকদের মনে সাড়া ফেলেছে।

তাদের উপস্থিতি আমাদের স্টলকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে, আর পাঠক-লেখকের এই সরাসরি সংযোগ বইমেলার সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

এই অবিস্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী হতে পেরে গাইডেন্স প্রকাশনী গর্বিত, কৃতজ্ঞ। আপনাদের ভালোবাসাই আমাদের পথচলার শক্তি। আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—সাহিত্যের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এই প্রয়াস অব্যাহত থাকবে। 🕊️

একুশে বইমেলা ২০২৫-এ গাইডেন্স প্রকাশনীর বেস্টসেলার — “চায়ের দেশে সাহেব বেশে”! পাঠকের অকুণ্ঠ ভালোবাসায় বইটির ইতোমধ্যে ১৫০০...
20/02/2025

একুশে বইমেলা ২০২৫-এ গাইডেন্স প্রকাশনীর বেস্টসেলার — “চায়ের দেশে সাহেব বেশে”! পাঠকের অকুণ্ঠ ভালোবাসায় বইটির ইতোমধ্যে ১৫০০+ কপি বিক্রি হয়েছে, যা আমাদের এই সাহিত্যিক অভিযাত্রায় এক অনন্য মাইলফলক।

আজকের দিনটি ছিল সত্যিই বিশেষ। বইটির এক কপি লেখক মাসুম বিল্লাহ-এর হাত থেকে পৌঁছে গেলো জনতা ব্যাংক পিএলসি-এর কর্ণধার, সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ মজিবর রহমান মহোদয়ের হাতে।

বই ও জ্ঞানের প্রতি তার আন্তরিক ভালোবাসা আমাদের এই স্বপ্নযাত্রায় নতুন অনুপ্রেরণা যোগালো। আমরা বিশ্বাস করি, একটি ভালো বই শুধু পাঠকের মন নয়, গোটা সমাজকেই আলোকিত করে।

আপনাদের অফুরন্ত ভালোবাসা আর সমর্থনেই গাইডেন্স প্রকাশনী এগিয়ে যাচ্ছে সাহিত্যের পথে। চলুন, জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হই, বইয়ের পৃষ্ঠায় খুঁজে নেই নতুন স্বপ্ন!

— গাইডেন্স প্রকাশনী | একুশে বইমেলা ২০২৫

#চায়ের_দেশে_সাহেব_বেশে #বেস্টসেলার #একুশে_বইমেলা২০২৫ #গাইডেন্স_প্রকাশনী #সাহিত্যের_আলোর_যাত্রা

গতকাল তরুণ ও উদ্যমী উপস্থাপিকা Dipty Chowdhury এর গাইডেন্স প্রকাশনীতে উপস্থিতি আমাদের জন্য গভীর আনন্দ ও গর্বের বিষয় ছিল।...
17/02/2025

গতকাল তরুণ ও উদ্যমী উপস্থাপিকা Dipty Chowdhury এর গাইডেন্স প্রকাশনীতে উপস্থিতি আমাদের জন্য গভীর আনন্দ ও গর্বের বিষয় ছিল। তার হাতে শোভা পেয়েছে তিনটি অনন্য গ্রন্থ — মারজানা আফরিন বাঁধন-এর কাব্যসংকলন ‘প্রদাহ ও প্রার্থনা’, 'তবু তার ভয় ডুবে যাবার' এবং মাসুম বিল্লাহ-এর উপন্যাস ‘চায়ের দেশে সাহেব বেশে’! ❤️

প্রকাশনা জগতে নবীন পথচলা শুরু করেছি অমর একুশে বইমেলা ২০২৫-এর হাত ধরে। আমাদের স্বপ্ন—সকল বইপ্রেমীর জন্য আগামীর দিনগুলোতে আরও গোছানো, আরও সমৃদ্ধ এক ভুবন তৈরি করা। নতুন নতুন চমক নিয়ে হাজির হওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলো আমাদের পাঠকদের জন্য! 🫶

চলছে বইয়ের জয়গান, চলুক! 😃

আমন্ত্রণ রইলো—অমর একুশে বইমেলা ২০২৫-এ গাইডেন্স প্রকাশনীর স্টল ১০৮১-তে! 👈

আসুন, বইয়ের সুবাসে হৃদয় ভিজিয়ে ফেলি…

আলোরেখার জয়যাত্রা | মাত্র ১৫ দিনে ৪০০ কপি! 🔥আব্দুল্লাহ মামুনের লেখা “আলোরেখা” উপন্যাস পাঠকদের হৃদয় ছুঁয়ে যাচ্ছে। অমর একু...
15/02/2025

আলোরেখার জয়যাত্রা | মাত্র ১৫ দিনে ৪০০ কপি! 🔥

আব্দুল্লাহ মামুনের লেখা “আলোরেখা” উপন্যাস পাঠকদের হৃদয় ছুঁয়ে যাচ্ছে। অমর একুশে বইমেলার জমজমাট পরিবেশে এই তরুণ লেখকের প্রথম উপন্যাসই এমন পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে, যা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

যারা এখনো “আলোরেখা” সংগ্রহ করেননি, তারা দ্রুতই নিয়ে নিন! গল্পের গভীরতা, আবেগ, আর জীবনের বাস্তবতাকে ছুঁয়ে দেখার এক অনন্য উপাখ্যান আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে।

📍 বইটি পাওয়া যাচ্ছে: গাইডেন্স প্রকাশনী স্টল
📖 স্টল নম্বর: ১০৮১, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে

আপনার কপি সংগ্রহ করুন আর জানিয়ে দিন, “আলোরেখা” আপনার হৃদয়ে কতটা আলো ছড়িয়েছে! 😀

#আলোরেখা #বইমেলা২০২৫

চলে এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মারজানা আফরিন বাঁধন এর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'প্রদাহ ও প্রার্থনা' গাইডেন্স প্রকা...
15/02/2025

চলে এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মারজানা আফরিন বাঁধন এর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'প্রদাহ ও প্রার্থনা' গাইডেন্স প্রকাশনী এর স্টলে। সকল কবিতা প্রেমীদের আমন্ত্রণ রইলো বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে গাইডেন্স প্রকাশনী এর স্টলে। 😀

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা লেখিকার পক্ষ থেকে বিশেষ অফারে কাব্যগ্রন্থ টি পেয়ে যাবেন মাত্র ১৫০/- টাকা তে। 📌

স্টল নম্বর: ১০৮১ (বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ) 🕊️

Address

House 1031, Road 9, Avenue 9, DOHS, Mirpur
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গাইডেন্স প্রকাশনী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to গাইডেন্স প্রকাশনী:

Share